Powered By Blogger

শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১১

বিষাদের পঙতিমালা

নৈঃশব্দ পেরিয়ে স্বপ্ন আসে পাখির পালক বেয়ে
সময়ের সিঁড়ি ভেঙ্গে দূরন্ত কৈশোর পাড়ি দেয়
টাল-মাটাল তারুণ্যে;বন্ধ্যা পৌঢ়ত্ব হাফিঁয়ে ওঠে
যন্ত্রণার অভিঘাতে ভেসে যায় লাম্পট্যের অতল গহ্বরে
বৃদ্ধের নিস্তেজ চোখ দুঃস্বপ্নে মলিন....

উত্তরাধুনিক স্বপ্নে বিভোর কিশোরী নক্ষত্রকে
হাতের মুঠোয় পুরে চিরে দেখে কতটুকু উত্তাপ ছড়ালে
সভ্যতার অন্ধকার দূরে সরে যায়
কখনো বা মুগ্ধচোখে অপার বিস্ময়ে দেখে বিলের শাপলা
ঘাসফুল,প্রজাপতি ছবি আঁকে চোখের তুলিতে
আয়নার দীঘল প্রচ্ছদ জুড়ে জলপ্রপাতের চাহনীতে
সারল্য ছড়িয়ে পড়ে;বাউল বাতাস কানে কানে বলে যায়ঃ
অচিনপুরের গল্প।মাদকতা নেমে আসে দুই চোখ ভরে

অন্ধকারের মশাল জ্বেলে পথ দেখায় বামন
সূর্য নামক নক্ষত্র আধাঁরে হারায়
মিনিটে চব্বিশ টন হাইড্রোজেন পুঁড়েও উজ্জ্বলতা আর
তাপ দিতে ব্যর্থ সূর্য;সভ্যতার আত্মা ডোবে বুড়িগঙ্গা নদে
শতাব্দীর আবর্জনা স্পীড ব্রেকারের বাধাঁ ছড়ানো-ছিটানো
বাতিল অন্তর্বাসের মতো পরিত্যক্ত এ শহরে
অতৃপ্ত আত্মার নাঁচ চলে রাজপথে
শেয়াল,শকুন আর কুকুরেরা মেতে ওঠে আমিষ উৎসবে
খরদহে তেতে ওঠে মরুভুমি দাউ দাউ জ্বলে আকরিক
পারমানবিক চিল আকন্ঠ তৃষ্ণায় পান করে
আমাজান মিসিসিপি নীল ফোরাত দজলা ভলগা হোয়াং হো
গঙ্গার সুমিষ্ট জল;মূমূর্ষ পদ্মার বুক জুড়ে হাইব্রীড
ঈরীর চারায় দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে কাঁদে জলদাস

নীল সমুদ্রের বুকে মাথা রেখে ঘুমায় যুবক

২৯.০৪.১১
পল্লবী,ঢাকা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন