Powered By Blogger

শুক্রবার, ৬ জুন, ২০১৪

ধূপের মতোন উড়ে গেছে প্রতিশ্রুত প্রেম-৩

২১. সমূহ শিল্পের জন্যে যারা পাথর কেটেছে,সুমন্ত শরীরে মেখেছিল লাল ধূলো,কাঁকর ও বালি---দেহবিকৃতি ও উচ্চারণের জড়তা হেতু তারা জানে-অনুগমনের পথের ওপর দিয়ে ক্রমান্বয়ে অন্ধকার দূরে সরে যাবে শুধু প্রতিগামী রমণী, বোঝ নি মধু,মেঘ ও জলের ফোঁটা তক্ষশীলা থেকে মগধ প্রদেশ পার হয়ে আমাদের উঠোনের কোণে এসে থেমে আছে।কাঁঠালি চাঁপার ফুলে স্বপ্নের সন্তুতি।সাদা পাখিগুলো সব ঘরে ফিরেছে কেওবল শ্রেয়তর অন্ত্যমিলে লেখা সর্বত্রগামী কবিতাগুলো ঘরের বিষাদ ভুলে গেছে।প্রত্যন্ত নদীপ্রদেশে শারদশশী নৌকার অনিশ্চিত গন্তব্যে স্তব্ধতা এবং কোলাহলের ভেতর মাতৃসমা জলরেখা ধরে স্বচ্ছতাবিহীন জীবনের যাত্রায় উত্তান রাত কেঁপে ওঠে উৎসবের বাজনায়।রমণীর বুকের তোরণে 'স্বাগতম'ইস্তাহার সাঁটা।বাজনাদারের ভাষা ও পোষাকে কিংবা জলজ স্রোতে মনে পড়েঃঅর্থবাচক শব্দের দৃঢ় গাঁথুনিতে একটানা ডেকে গিয়েছিলাম,---শরীরজুড়ে রক্তক্ষত।'রক্তে সিঁদুর গলবে'--এই প্রত্যাশায় শরীরের যত রক্ত ঢেলে দিয়েছিলাম অথচ আজ শ্মশামচারিনী প্রেতিনীর যোনী তোমার সমস্ত অবয়বে।ধ্বংস ও বিনাশের পূজারিনী হয়েছ?স্ব-প্রণোদিত এই জীবন সঠিক মনে হল?স্বেচ্ছাচারী,বল্গাহীন জীবনের স্বার্থকতা খুঁজে পেয়েছ?পাপ ও দুঃখবিষ গহবরের কাটা হাত,ভাঙা হাড়ের গুঞ্জন,হৃৎপিন্ড চেয়েছে ধ্বংস প্রতিমার পূজো। আজ রাতে সৃষ্টিছাড়া পূজো হবে।জবাফুল,বেলপাতা সাজিয়ে রেখেছো? ২৪. প্রত্যাশার মন্দিরে অনেক ঝুল,ঊর্ণাজালে আবৃত্ত দেয়াল।কতদিন এ-মন্দিরে ঘন্টা বাজে নি?রক্তিম নখে এসে থেমে থেকেছে প্রার্হনামন্ত্র,স্তোত্র।যা কিছু কলঙ্ক,অপমান,---মুছে নিয়ে শালকীর জলে প্রতিশ্রুতি ছিল জ্বালিয়ে দেয়ার ধাতুমুখ,ক্ষত কিন্তু অগাধ শরীর ছুঁয়ে ব্যর্থ এ-দু'হাত তুলে নিয়েছিল কেবলই পরাভবের পাথর।চোয়ালে লেগে থাকা উচ্চাশার ক্লীব শৈবালের প্রলেপ তা-কি আবরণের অপব্যয় নয়?শরীরের আমূল প্রপাত ভেঙে এই যে অন্ধকারের ধারাময় জীবন,---আসলে সময়ের পিচ্ছিল মন্দিরচূড়া আর শেষ সর্বনাশের ধারায় সঁপে দিতে পারো সবটুকু?জলস্রোতের রেখায় ভাসমান সাধ এবং শব্দহীন বালির উত্থানে ঢেকে গেল শষ্পাবৃত্ত নদীর দু'পার।সব বাজি জিতে নেয়া হয়ে গেছে?আশাছিল,একদিন কর্তব্যহীন সময়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম জাগতিক সহ্যসীমার বাইরে কিছু দেখব না কিন্তু ক্রমশঃ শীতের টানে চরের ওপর ঝুঁকে পড়ে এবং আলো মাখামাখি তোমার শরীর ছুঁয়ে যাচ্ছে প্রেতের বাতাস। ২৫. আধভাঙা কথামালাগুলো মাঠের কিনার ঘেঁষে কেঁপে ওঠে আর আমরা সুপারী রঙা গোধূলির থেকে দূরে সরে যাই।সাব্লীল পাহাড়চূড়া ও নীল জলাশয়ে খর শীত নামছে।অগ্নির সর্বস্বতা সোনামুখ হিমের ভেতর গলে যেতে দেখি।আমাদের পাঠ শেষ।অন্ধকার নেমে আসছে।দূরের নদীজল থেকে জেগে ওঠা মৃত মানুষের কোলাহলে উড়ে যেতে দেখি নিশাচর পাখি,শান্ত বাদুড়ের দল,জ্যোৎস্নার আকারে নড়ে ওঠে কাশের জঙ্গল।যে সমস্ত শঙ্খ তোমাকে দিয়েছিলাম-তারা ছুঁয়ে গেছে নীল পরমায়ু।বুকের গহ্বরে শামুকের বুদবুদ,ত্র্যহস্পর্শ,---আমাকে কতোদূর নেবে,রমণী?তোমার চলা বড়ো বেশী দ্রুত।কুয়াশার আস্তরণে যতোবার ধরতে গিয়েছি ততোবার শুধু ছায়া,প্রচ্ছায়ার প্রহেলিকা। ২৬. একদিন শীতপোড়া রাতে দেখেছিলাম জীবাশ্ম,অন্ধকার বেতসের পাতাগুলো কাঁপছে।অক্ষর নিবদ্ধের কবির কবিতা,নিহিত বোধের চিত্রী ও গায়ক;প্রকৃতির অন্তর্গত গভীর রঙ,সমূহ সঙ্গীতে শারীরিক স্পর্শ,---তারপর মৃত্যু উৎসব,কৌণিক দূরত্বের তত্ত্বকথায় দূর্দমনীয় টানা ছুটির আমেজ।কিছু তার গল্প হয়ে ছিল।সরল গদ্যের ভয়াবহ প্রতারণার অভীপ্সায় যৌনতার আঁছোয়া অক্ষরে আমাদের আকর দিনগুলো পিন্ডের মতোন উঁচু হয়ে ওঠে য্যানো বা স্মরণস্তম্ভ কোনো।সমস্ত বালুর চর জেনে গেছে আমার অথর্ব,সামর্থ্যবিহীন ক্ষমতা।জোনাক পোকা ভীড় করে আসে...তার আলোতে বপণহীন দিশা। তত্ত্ব ও সর্বনাশের ঘুম,কুয়াশামাখা সকালে জেগে দেখি ভেসে গেছে বালুচর,প্রতিটি লতা ও গুল্মে চিহ্ন পরে আছে।আমার সমস্ত রাত ঘিরে ছিল জলের প্রবাহ,কুসুমিত বিশ্বাস।ব্রতধারণে ভুলে গেছ আমার জলের অধিকার,সীমানা ও নুড়ি-পাথরের সহজতা?তোমার শরীর য্যানো নিমপাতা-গোপন গহ্বরে ঢাকা অন্ধকার,হাহাকার।বর্ণান্ধ রাতগুলোতে জলদোষ ছিল?যে আগুনে পুড়ে যেতে চেয়েছিলে---এমন ধাতব পাত্র শূন্যে বেজে ওঠে ঝনঝন।দশ আঙুলের নির্ভরতা থেমে যায় অকস্মাৎ,কেঁপে ওঠে নিশিকোলাহল,কেঁপে ওঠে বনভূমি,বালুচর,ঝর্ণাজল। ২৭. পরধর্মময় চাঁদ ও গ্রহের মতো বস্তুত তোমার চোখে লেগে আছে বিরুদ্ধগামী স্রোতের পটভূমি।একসঙ্গে কেঁপে ওঠে নদীতীর,ভিটেমাটি,উদাসীন শরীরের ছায়া।ছুঁয়ে দেখেছিলে যে মুহূর্তে উঠে গিয়েছিলাম স্বপ্নের শেষাদ্রিচূড়ায় কিংবা শতাব্দী পরের স্থলপদ্ম পরিত্যক্ত বাড়ির উঠানে ইটের পাঁজর ভেঙে বের হয়ে আসা দীর্ঘদিনের সমূহ শ্বাসে পুড়ে গিয়েছিল ডানা?ভুলে যাব বুকে পোড়া পাখি?প্রবাহমানতার ঢেউয়ে অধর্মের নৌকা,নিরিবিলি মাস্তুল,দড়িদড়ার টান।উৎস থেকে মোহনায় বিসর্জনের আবহ।এতো বিষাদ বিসর্জনের ঢাকে? দিনানুদিনের পাপে ভরে আছে তোমার শরীর।আগুনের এমন ক্ষমতা আছে দেহের শুদ্ধতা জানে।পস্পর অঞ্জলিতে ভাসিয়েছিলাম উদ্যত প্রণয়,স্বপ্ন।তার বীজ উঠে আসে মধ্যজল থেকে আর আমার চোখের অনীশ্বর বিন্দু,কমন্ডলু,পায়ের খড়ম উড়ে যায় ভুল ঋষিদের আশ্রমে আশ্রমে। ২৮. ভূমধ্যসাগরের জ্বলন্ত দিনগুলো ভূলুন্ঠিত অথচ উন্মাদনায় ভরে ছিল।ভেবেছি,কবেই মুছে গেছে শ্লেট-ধোয়া জলে।পদ্মপাতায় টপকে যত ছিঁটে-ফোঁটা জলে আর্দ্র হাত---অই হাতে চেয়েছিলাম ক্ষমার সজীবতা।জীবাশ্মপ্রহত ছায়ামুখে ইতস্তত ভালোবাসা মুহূর্তের নির্বাপনে আচম্বিতে শেষ হয়ে যায় আর পৃথিবী তখনও ভেসে থাকে গ্রহণের জলে।প্রগাঢ় অন্যায়ে চেয়েছিলে আরও কিছু সোজাসুজি?হাড়ে লেগে থাকা জমাট রক্তের বিন্দু?তোমার বিষাক্ত করোটিতে অবাধ ব্যভিচারের স্মৃতি।আমাকে কী তার ভাগ নিতে বলেছিলে?গোপন রাতের স্তুপে পড়ে আছে শ্বেত বধিরতা ও মন্দ্রিত অভিসার।বসন্ত আসার পথ জুড়ে ছিল পিছল পাথর।ঝুঁকে আছি।চারিদিকে ছড়ানো কাজল পরিবেশ,শারীরিকতার জাল।চোখ জ্বলে ওঠে কৃষ্ণ বিস্ফোরণে।নূতন পৃথিবী কখনো মসৃণ নয়,--- দরোজাবিহীন মন্দিরের মতো লতাগুল্মে আচ্ছাদিত;যারা জানত না ঠেকে শিখে নিয়েছিল।ধ্বংসের অতলে কতদূর যাবে?আমার সমস্ত দেহে সর্বনাশের উল্কির ছাপ।আমি সর্বনাশ দিয়ে পতন ঠেকাবো বলে দুই হাত মেলে তোমার পথের মাঝখানে দাঁড়িয়ে রয়েছি। এই বুকে পরাভন নেই। ২৯. একক ও তুলনারহিত আমাদের সেই প্রেম ভেসে গেছে নীলচে জলের স্রোতে।সমুদ্র সাঁতারে আমাদের কত ক্লান্তি জমে আছে।গভীরতর জলের ভয় ছিল---জলজ শ্বাপদ আর খোলা-গিট হাঙর স্তব্ধ করে রাখে মোহনা ও উপকূল।যারা সমুদ্রে নামে নি-বাতাস ও জোয়ারের টানে তাদের পায়ের তলা থেকে সরে গেছে বালির চাক ও মাটি।যতটা আগুনে পুড়েছিল এই বুক,---ভেবেছিলাম সমুদ্র ধুয়ে দেবে পোড়াক্ষত,ফেনায়িত রক্তবিন্দু।অবশিষ্টে পড়ে থাক রহস্যের মূল যখন হলুদ,নীল সাংখ্যের অতীতে ধূর্ত ও জটিল এক স্তর ধোঁয়া।মহাজাগতিক শূন্যের তলায় পরিচিত ঝর্ণাজলে ঘর যায়,পথ যায় যেভাবে আমার দিনগুলো ছোট্ট হয়ে এসেছে।নিদ্রাবিহীন রাতে অতীতের প্রিয় দু'টি হাত কখনও কখনও চেঁপে ধরে করোটি।বিভ্রান্তি এবং অস্পষ্ট মুহূর্তে ডুবে যেতে চায় সমূহ শরীর।নদী কিংবা পানামিশ্রিত পুকুরে।লোভ ছিল অপরিসীম ও শর্তহীম।যে সমস্ত বাগানের সৌন্দর্য্য উথলে উঠেছিল;ভূত ও ভবিষ্য থেকে---আরও কিছু দূরে ছায়া ও আলোর অন্তরালে ঢাকা পড়ে আছে নক্ষত্রামৃতযোগ,সংক্রান্তিদোষ। অরোরা বিভায় জ্বলে ওঠে ময়ূরপালকদিন।্মনঃশিলার পাষাণভার এবং তোমার লাবণ্যেফুলে ওঠে বানভেজা মাটি।টপটপ জল ঝরে,লোনাজল।জলশোধনের প্রত্যেক বিন্দুতে রক্তের প্রবাহ।ক্ষান্ত আকাশে বিচ্ছেদ,অনন্তের।বর্তুল হৃৎপিন্ড জড়ো হতে থাকে গোলাপ রঙের গল্প। তোমার শরীরে ছিল ইমঙ্কল্যাণ।তার সুর শুনতে শুনতে কতদিন স্পর্শ পেয়েছি রাতের।সাবধানবাণী ভুলে যে দিকে যাবার কথা ছিল না-গিয়েছিলাম।ব্রক্ষপুত্রের জমাট অন্ধকারে অবৈধ,অসামাজিক স্বর্ণ-সমুজ্জ্বল বেশ্যাদের নগ্ন শুয়ে থাকার ভেতর পথ করে।উপকথার বৃত্তান্ত থেকে বৃত্তান্তের আবছায়ার আড়ালে কত অপমানে শরীর সাজিয়ে বসে আছ।স্ফুরিত আনন্দ এবং শব্দহীন স্তবে?চারিদিকে ধাবমান জল।দিশাহীন জলে জানা নেই কে,কখম কতদূর নেবে?বুকের গভীরে নেমে যায় জলরেখা।নিভৃত নিঃশ্বাসে ঘট ভেঙে মুছে নেয় সিঁদুরের নাম।বুকে খরতালি,---আবর্ত বাজনা কেউ শোনে নি।বিতত পদ্মপাতা---কতটুকু জল ধরে?যতটুকু দুই চোখে হ্রদতটমূলে?ভাসিয়ে নদীর তীর-অই দূরে জলচারী নৌকা।তৃষ্ণাদেবতার মূলে কখন যে একাকার মিশে যাও সুমন্ত শরীরে-বণিকের মেরুদন্ড তোমারই দুই হাতে বহুপরিচর্যাজাত, বায়বীয় স্বরে ফিরে যায় ঘরে।বিকল্প বন্ধুত্বে কিংবা তার চেয়ে বেশী ফুলঝুরি-এই উদাসীন মর্যাদায় নিঃস্ব তাকিয়ে রয়েছো সুন্দরের মজ্জাহীন রাতে।শোকের আতসগুলো ঝরে তোমার চোখের ত্রাণ মহোৎসবে।অসম্ভব নিঃসঙ্গ আমার চোখে পূর্ণিমার ছায়া।আমার নিঃশীল বসে থাকার ভেতর আত্মপতনের বীজ,বিচ্ছেদের অঙ্কুরোদগমে কুঁড়ি মেলে নূতন কবিতা।সু-সংহত,ছন্দোবদ্ধে নির্মাণ ও বিনির্মাণের ফাটলে জর্জরিত বাঁধে অথই উল্লাস।ভবিষ্যতের পাথেয় জমা নেই তাই বাধাঁ হয়নি যে ঘর---সেই ঘরের বিষাদ মনে পড়ে?রক্তিম ফেনার সন্ধ্যাকাশে যে তারা ওঠেনি তার আলো ভরে আছে প্রসন্ন উঠোন।আমি ভুলে যাই নি সে প্রেম;আতপ্তভিত্তি সংসারে আনন্দিত দুই হাতে উপুড়করা প্রদীপ।রাতদুপুরের সন্দেহে স্বপ্ন নিতে নিতে আবিষ্ট দু'চোখ। ৩০. পরিচিত পথের লানম্য,বাঁকে বাঁকে সবুজের সমারোহে সজীব সঞ্চার;তুমি তার কতটুকু জানো?তোমার কি মনে হয়েছিল চিরদিনের নিরুদ্বেগের মধ্যে এতোদীর্ঘ,প্রতিশ্রুত ভালোবাসাম সময়বিহীন স্তব্ধ জালে আটকে রয়েছে। আমি দু'হাতে চেয়েছিলাম সকালের শব্দগুলো খুলে যাক লজ্জাশীলা রমণীর মতো এবং অবজ্ঞাত সময়ের স্তর ফুঁড়ে বেরিয়ে আসুক হাজারদুয়ারি ভালোবাসা।আমাদের ঘোরমাখা দিন ও রাতের প্রতি প্রহরে মুখথুবড়ে পড়ে ছিল পরিপাটি জীবন ও মেদমজ্জাহাড়।আদি সময়ের ধূলোমাখা পায়ে দীর্ঘ চলাচল থেমে গিয়েছিল উর্ধ্বগামী মশালের নীচে।বুকের প্রান্তরে ছিল কাটাগুল্মের উদ্ভিদ।প্রতিটি লতা ও গুল্মে সাংখ্যের অতীত তীক্ষ্ম কাঁটা বিধেঁ যায় বুকের গভীর থেকে গভীরতর প্রদেশে।চারিদিকে এতো শব,শবের মিছিল,---তুমি ঝুঁকে দেখেছিলে আমার কপাল।কপাল না-কি কপালের লিখন?নিয়তি পালাটাতে চেয়েছিলে?কোনো ক্ষোভ নয়,কোনো শোক নয় তবু অশ্রুপাতে দুই চোখ ভার।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন