শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৫
পদ্মপাতা থেকে দূরে
যতদিন পাশে থাকা গিয়েছিল - ছিলাম;এখনও পদ্মপাতা থেকে দূরে,সূর্য
অজানা সমুদ্রতীরে ডুবে যায়
দু'চোখে আমার গরম জলের ফোঁটা
পথের দু'দিকে খাদ রেখে ছুটতে ছুটতে দিগন্তের দিকে
গোলকধাঁধা,ঐ গোধূলির রশ্মি -
আজ,কাল কিংবা পরশু - প্রেমের এই কথাগুলো ছাড়া
আমার কিই-বা ছিল
শস্যমূল হাতে সকালের উৎস খুঁজে নিয়ে
সূর্য্যমূখী ফুলের ভেতর খাদ্য ও পানীয় ঢেলে
নদী,পাহাড় ও পাথরের স্তুপ ঠেলে সূর্যোদয়ের আলোতে
কে লিখে রেখেছে এতো অভিশাপ
এঁকে বেঁকে নেমে আসছে - শিল্পিত রুপ ও অবশ পতঙ্গের মতো শান্ত ভঙ্গিমায়
শাপ মোচনের মন্ত্র জানো
আমাদের চাপা পড়া সন্তান বাৎসল্য,পূরানো বিয়ের চোলি
বকুলগন্ধে মুহূর্তে ভেসে গেল
পরার্থপর অগ্নি ও জল,সারাৎসার খাদ্য ও পানীয়ে
প্রিয়ে,তোমার শাড়ীতে চোরকাঁটা লেগে আছে
অনায়াস ভঙ্গিতে যতটা দূরে গিয়েছিলে
অম্লজানহীন,পদ্মসম্ভব ঐ পাহাড়ের চূড়ায় - দু'চোখে মেঘ
অনন্ত বর্ষার!হাঁটুমুড়ে অন্ধকার বিছানায় রতিসম্মতি,চুম্বন,খন্ডযুদ্ধ
সৌন্দর্য্যবোধ ও অভিশাপে যা ঘটার ছিল
ঘটে গেছে
বেসরকারী আতুরালয়ে পূণর্জন্ম নেবো
তুমি,নেমে এসো
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন