বিশ্বাসের নড়বড়ে সাঁকো ভেঙ্গে গেছে কবে জানি,----
তবুও নিজের ছায়া সন্তর্পনে পারাপার করি
অতিপ্রাকৃত রাতের যুপকাষ্ঠে যখন গোধূলি
সশব্দ আর্তনাদের স্বরে ডেকে যায় আর আমি
তীব্রতর আকাঙ্ক্ষায় থরো থরো কেঁপে উঠি বিশীর্ণ পাতার
মতো;একাকী রমণে ক্ষত-বিক্ষত এ আমি মোমের আলোয়
ভূতুড়ে ছায়াকে প্রশ্ন করিঃ ঐন্দ্রিলা কোথায়,আজ
পৃথিবীর যাবতীয় উপভোগ্য সুখে সে আচ্ছন্ন কি না
গ্রীষ্মকালীন নদীর বেগবান স্রোতের মতোন ছিল আমাদের প্রেম
ক্যাম্পাসের মায়াবী বিকেলগুলো কেটে যেত চোখে চোখে
স্বপ্নাচ্ছন্ন রাতগুলো ছিল জোছনার সফেদ ফেনায় মাখামাখি
অলস দুপুর কিংবা নির্ঘুম রাতের নির্জনতা
ভেঙ্গে খান খান হয়ে ভেসে ওঠে চোখের ওপর
আর স্বপ্নগুলো পথ ভুলে ঠাঁই নিত তাঁর সত্ত্বার গভীরে
কারা প্রকোষ্ঠের ঘন অন্ধকারে, রাজবন্দীর সম্মানে
পান্ডুর চাঁদের আলো মিশে থাকে সমগ্র অস্তিত্বে!
তবুও নিজের ছায়া সন্তর্পনে পারাপার করি
অতিপ্রাকৃত রাতের যুপকাষ্ঠে যখন গোধূলি
সশব্দ আর্তনাদের স্বরে ডেকে যায় আর আমি
তীব্রতর আকাঙ্ক্ষায় থরো থরো কেঁপে উঠি বিশীর্ণ পাতার
মতো;একাকী রমণে ক্ষত-বিক্ষত এ আমি মোমের আলোয়
ভূতুড়ে ছায়াকে প্রশ্ন করিঃ ঐন্দ্রিলা কোথায়,আজ
পৃথিবীর যাবতীয় উপভোগ্য সুখে সে আচ্ছন্ন কি না
গ্রীষ্মকালীন নদীর বেগবান স্রোতের মতোন ছিল আমাদের প্রেম
ক্যাম্পাসের মায়াবী বিকেলগুলো কেটে যেত চোখে চোখে
স্বপ্নাচ্ছন্ন রাতগুলো ছিল জোছনার সফেদ ফেনায় মাখামাখি
অলস দুপুর কিংবা নির্ঘুম রাতের নির্জনতা
ভেঙ্গে খান খান হয়ে ভেসে ওঠে চোখের ওপর
আর স্বপ্নগুলো পথ ভুলে ঠাঁই নিত তাঁর সত্ত্বার গভীরে
কারা প্রকোষ্ঠের ঘন অন্ধকারে, রাজবন্দীর সম্মানে
পান্ডুর চাঁদের আলো মিশে থাকে সমগ্র অস্তিত্বে!

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন