ক্ষমতাসীনেরা সেই অতি প্রাচীনকাল থেকেই ক্ষমতার অতি প্রয়োগ ও অপব্যবহারের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে যুদ্ধ,অশান্তি,দুর্নীতি,ঘৃণা ও বৈষম্যের সৃষ্টি করে জনজীবনে অশেষ দুর্ভোগ ও ভোগান্তির কারণ ঘটিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় তথা সমস্ত বিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে।প্রাচীন কালের বর্বরতা ও অদৃষ্টবাদী সমাজ ব্যবস্থা,মধ্যযুগীয় কু-সংস্কার ও অন্ধকার পেরিয়ে য়্যরোপে শিল্প-বিপ্লবের মাধ্যমে যে আধুনিকতার সুচনা হয়েছিল;শ্রম ও পুঁজির দ্বন্দ্বে তা কার্য্যত ব্যররথ।ক্ষুধা,দারিদ্র্য,যুদ্ধ,নিষ্ঠুরতা,অশিক্ষা,জীবন ধারণে অনিশ্চয়তা মুক্ত করতে পারেনি আধুনিকতাবাদ।চরম হতাশা ও গ্লানি,মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে উত্তরাধুনিকতার জন্ম। মানব কল্যাণের আশাবাদ ও সদিচ্ছায় দৃঢ় প্রত্যয়ী উত্তরাধুনিকতা বাদ ; যা নিছক একটি মতাদর্শ নয়। আধুনিকতাবাদের মরনোন্মুখ আর্তনাদ ও উত্তরাধুনিকতা বাদের সাবলীল যাত্রায় কবি সাবরিনা সিরাজী তিতি্র তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'মেঘ হয়ে যাই' এ ব্যর্থ আধুনিকতা নিয়ে সীমাহীন ক্ষোভ নিয়ে লেখেন:
অবাক হই!মুখোসগুলো কেমন মানিয়ে যায় তোমাদের!
ক্রোধের ঘরে আস্তানা গড়ে মোনালিসা'র রহস্যময় হাসি,
কান্নাকে তালা দিয়ে চাবী তুলে দাও অট্টহাসির হাতে;
আবার নোংরা খিস্তি আড়াল হয়ে যায় তৈলাক্ত মুখোসে।
ব্যাকডেটেড মুখোসগুলো কি করবো আমি?
ভাবছিলাম কিছু পালটে হাল আমলের কিনবো
প্রয়োজনে একটা কিনলে আর একটা বিল্কুল ফ্রি।
গোপন একটা সত্যি বলি?
মুখোস পরতে পরতে মুখটা কেমন
ইট চাপা ঘাসের মতো ফ্যাকাসে হয়ে গেছে
একটু সোনারোদ ছোঁইয়ার জন্য আকুলি বিকুলি করে বুকটা,
আয়নায় খুঁজে ফিরি নিজেকে,কতদিন নিজেকে দেখি না ।
(মুখোস)
আমরা এমন এক ভীতিপূর্ণ সময়ে বাস করছি যে উন্নত বা ক্ষুদ্র রাষ্ট্রেরও এমন সব ভয়ংকর মারণাস্ত্র রয়েছে যা পৃথিবীটাকে ধ্বংশ করে দেয়ার জন্যে যথেষ্টরো বেশী। আধুনিকতাবাদ আমাদের উপহার দিয়েছে সন্ত্রাসের আবহাওয়া ও আতংকের পরিমন্ডল, অস্থিতিশীলতায় পরিপূর্ণ বিশ্ব এ অবস্থায় আশাবাদ নিয়ে এগিয়ে চলছে উত্তরাধুনিকতাঃ
আজ খুব ইচ্ছে করে জানো,
চেস বোর্ডে রাণীর মতো তোমাকে আগলে রাখবো,ভালবাসবো
প্রয়োজনে হাত ধরবো মৃত্যুর
( প্রিয় কে)
উত্তরাধুনিকতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল স্বাধীনতা।আধুনিকের কৃষ্ণবিবরে পাঠক ছিল পুরোপুরি লেখকের আজ্ঞাধীন।উত্তরাধুনিক সাহিত্যের ভেতর পাঠক পুরোপুরি স্বাধীন।পাঠকের ভূমিকা এখানে ঊন বা বহিরাগত নয় অন্তর্গত :
দুই দুয়ারী ঘরে বসত আমার।
এক দুয়ার পাহারা দেয় দুঃখ
অন্যটায় সুখের পাহারাদার
ইচ্ছেমাফিক ঢোকার নেই উপায়---
হাজারো প্রশ্ন।
(দুই দুয়ারী)
সময়ের এক অবাস্তব যাদু দিয়ে গড়া আজকের এ পৃথিবী।বাস্তবতা বেরিয়ে যায় আঙ্গুলের ফাঁক গলে।প্রকল্পনার স্বচ্ছ চাঁদরে ঢাকা পড়ে যায় যাবতীয় তথ্য ও তত্ত্ব।কূটাভাস থেকে কূটাভাসেই যার পরিভ্রমণ।তারুণ্যদীপ্ত অভিজ্জানে ছদ্ম এ সময় বিষদাঁত বিধিয়ে রাখে।ঊষর পৃথিবী ধরা দেয় উত্তরাধুনিক চেতনায়ঃ
নামহীন অখ্যাত নদীটা তোমার দেয়া নাম পেয়ে---
লাজুক ভালোবাসায় আরও সিক্ত হয়েছিলো।
শান্ত নদীর হটাৎ জোয়ার,অন্যদের মতো তুমিও বুঝতে পারোনি।
চুপচাপ নদীর অসময়ের উচ্ছ্বাস,ভ্রু কুঁচকেছে অনেকের
(ডাকো প্রিয় নাম)
কবিতার অমোঘ শক্তি।মানুষকে কবিতার কাছেফিরতেই হয়।নানাবিধ বিবর্তণের মাধ্যমে আমাদের এখনকার এ উত্তরাধুনিকতা।কবি সাবরিনা সিরাজী তিতির উত্তরাধুনিকতাকে ধারণ করতে চেয়েছেন বাস্তবের উর্ধ্বে আরেক বাস্তবে উপনীত্র হয়ে।প্রকৃত বাস্তবকে তিনি প্রবল্ভাবে অবল্ম্বন করেই কবিতা বিনির্মাণ করেন :
অমাবস্যা বায়না করেছে সূর্য দেখবে ;ওকে খুশী করতে
রাতের সেই সূর্য রঙের টিপ আজও খোলা হয় নি
তবুও অমাবস্যা চোখের কাজল হয়
একসময় নিশ্চয়ই সূর্য ঘুমবে
অমনি অমাবস্যা ছুঁইয়ে দেবে তাকে
জ্বলে মরবে জানে তবুও চাতক হবার তৃষ্ণা
(সূর্য রঙের টিপ)
অবাক হই!মুখোসগুলো কেমন মানিয়ে যায় তোমাদের!
ক্রোধের ঘরে আস্তানা গড়ে মোনালিসা'র রহস্যময় হাসি,
কান্নাকে তালা দিয়ে চাবী তুলে দাও অট্টহাসির হাতে;
আবার নোংরা খিস্তি আড়াল হয়ে যায় তৈলাক্ত মুখোসে।
ব্যাকডেটেড মুখোসগুলো কি করবো আমি?
ভাবছিলাম কিছু পালটে হাল আমলের কিনবো
প্রয়োজনে একটা কিনলে আর একটা বিল্কুল ফ্রি।
গোপন একটা সত্যি বলি?
মুখোস পরতে পরতে মুখটা কেমন
ইট চাপা ঘাসের মতো ফ্যাকাসে হয়ে গেছে
একটু সোনারোদ ছোঁইয়ার জন্য আকুলি বিকুলি করে বুকটা,
আয়নায় খুঁজে ফিরি নিজেকে,কতদিন নিজেকে দেখি না ।
(মুখোস)
আমরা এমন এক ভীতিপূর্ণ সময়ে বাস করছি যে উন্নত বা ক্ষুদ্র রাষ্ট্রেরও এমন সব ভয়ংকর মারণাস্ত্র রয়েছে যা পৃথিবীটাকে ধ্বংশ করে দেয়ার জন্যে যথেষ্টরো বেশী। আধুনিকতাবাদ আমাদের উপহার দিয়েছে সন্ত্রাসের আবহাওয়া ও আতংকের পরিমন্ডল, অস্থিতিশীলতায় পরিপূর্ণ বিশ্ব এ অবস্থায় আশাবাদ নিয়ে এগিয়ে চলছে উত্তরাধুনিকতাঃ
আজ খুব ইচ্ছে করে জানো,
চেস বোর্ডে রাণীর মতো তোমাকে আগলে রাখবো,ভালবাসবো
প্রয়োজনে হাত ধরবো মৃত্যুর
( প্রিয় কে)
উত্তরাধুনিকতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল স্বাধীনতা।আধুনিকের কৃষ্ণবিবরে পাঠক ছিল পুরোপুরি লেখকের আজ্ঞাধীন।উত্তরাধুনিক সাহিত্যের ভেতর পাঠক পুরোপুরি স্বাধীন।পাঠকের ভূমিকা এখানে ঊন বা বহিরাগত নয় অন্তর্গত :
দুই দুয়ারী ঘরে বসত আমার।
এক দুয়ার পাহারা দেয় দুঃখ
অন্যটায় সুখের পাহারাদার
ইচ্ছেমাফিক ঢোকার নেই উপায়---
হাজারো প্রশ্ন।
(দুই দুয়ারী)
সময়ের এক অবাস্তব যাদু দিয়ে গড়া আজকের এ পৃথিবী।বাস্তবতা বেরিয়ে যায় আঙ্গুলের ফাঁক গলে।প্রকল্পনার স্বচ্ছ চাঁদরে ঢাকা পড়ে যায় যাবতীয় তথ্য ও তত্ত্ব।কূটাভাস থেকে কূটাভাসেই যার পরিভ্রমণ।তারুণ্যদীপ্ত অভিজ্জানে ছদ্ম এ সময় বিষদাঁত বিধিয়ে রাখে।ঊষর পৃথিবী ধরা দেয় উত্তরাধুনিক চেতনায়ঃ
নামহীন অখ্যাত নদীটা তোমার দেয়া নাম পেয়ে---
লাজুক ভালোবাসায় আরও সিক্ত হয়েছিলো।
শান্ত নদীর হটাৎ জোয়ার,অন্যদের মতো তুমিও বুঝতে পারোনি।
চুপচাপ নদীর অসময়ের উচ্ছ্বাস,ভ্রু কুঁচকেছে অনেকের
(ডাকো প্রিয় নাম)
কবিতার অমোঘ শক্তি।মানুষকে কবিতার কাছেফিরতেই হয়।নানাবিধ বিবর্তণের মাধ্যমে আমাদের এখনকার এ উত্তরাধুনিকতা।কবি সাবরিনা সিরাজী তিতির উত্তরাধুনিকতাকে ধারণ করতে চেয়েছেন বাস্তবের উর্ধ্বে আরেক বাস্তবে উপনীত্র হয়ে।প্রকৃত বাস্তবকে তিনি প্রবল্ভাবে অবল্ম্বন করেই কবিতা বিনির্মাণ করেন :
অমাবস্যা বায়না করেছে সূর্য দেখবে ;ওকে খুশী করতে
রাতের সেই সূর্য রঙের টিপ আজও খোলা হয় নি
তবুও অমাবস্যা চোখের কাজল হয়
একসময় নিশ্চয়ই সূর্য ঘুমবে
অমনি অমাবস্যা ছুঁইয়ে দেবে তাকে
জ্বলে মরবে জানে তবুও চাতক হবার তৃষ্ণা
(সূর্য রঙের টিপ)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন