Powered By Blogger

রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

সভ্যতা

নমঃশুদ্রচারী পৃথিবীতে যখন কিছুই ছিল না গুহাবাসের কথা মনে পড়ে
বনে ও বাদাড়ে বেঁচে ছিলাম অনেক যুগ; গোধূলি ছাড়াই রাত্রি নামলে কখনো
সহনশীলতার যাঁতায় গুড়ো হয়ে যেত অবক্ষয়ী বিশৃঙ্খলা;দেয়ালে দেয়ালে
লাভার মতোন জ্বলে উঠত প্রিয়তমাষু অন্ধকারে যদিও জেনেছিলাম
দ্যোতনাবিহীন আলো শুধু প্রহেলিকারই জন্ম দিতে পারে।

শিকারী ছিলাম আমি।গাছের বল্কলে,পশুচর্মে লজ্জা নিবারন আর পূর্নিমার স্রোতে
ধিতাং,ধিতাং ছন্দোবদ্ধ নাচের প্রহরে ঘুম ভেঙে গেলে উচ্ছিষ্ট হাঁড়ের স্তুপে
ছুঁচোর কামড়ে ক্ষত-বিক্ষত ব্যাঙের আর্তনাদে দূরে সরে যায় সাপ
তারপর জলের ধীবর হয়ে ভেসে গেছি ঝঞ্ঝা বিক্ষুদ্ধ নদীর পূরাণের পথে
শষ্যমুখী কিষাণের সাথে মেঠো আলপথ ধরে মিশরীয় সভ্যতার
মমির মিহিন নিঃশ্বাসের গন্ধ মেখে রোমান,চৈনিক,গ্রীক,মেসোপটেমিয়া
মেসোমেরিকান সভ্যতার শেষে হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোর কুমোরের চাকশিল্পে
ক্লান্তিহীন ভালোবাসায় অঞ্জলী পেতে দিলে ঘড়া ভরে জল ঢেলে দিত
দ্রাবিড় রমণী।

অথচ এখন একজনমের তৃষ্ণার্ত বুকের 'পরে করুণার অশ্রুবিন্দুও পড়ে না।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন