বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১৫
ফসফরাসের আলো
নির্জন খাঁড়ির মুখে ছায়াঘন রাত্রি। পাথুরে বাসায় ডানাভাঙা পাখি কাৎরায় - ফসফরাস জ্বলে ওঠে সমুদ্রের লোনাজলে। অধোমুখ আলোর খেলায় ভেসে যাবে?এতো রহস্য ঐ প্রাকৃতিক আলোয়? শৈবাল,ঝিনুকের পাহাড়, প্রবালহাড় এবং পরিত্যক্ত নৌকা,- এইখানে প্রকৃতি জীবন্ত আর জলপাই বনের নিবিড় অন্ধকারে আমাদের শ্বাস দ্রুততর হয়ে ওঠে। জটিল ও দুর্বিষহ লিখন রীতিতে লেখা হল না - সমুদ্রগীত। নিম্নগামী রঞধনু সঙ্গীতে ব্যাপ্ত হল জীবন। উৎসব শেষে অর্থহীন মাথানাড়া,আঙুলের গিঁট গোনা,- পায়ে এসে ভেঙে পড়ে দূর্বিনীত ঢেউ অথচ আকাঙ্খা ছিল ঐ সূর্যের উচ্চতার কাছাকাছি। লবণজলের স্নান,লাঙলের ফলার মুখোমুখি,- ফসফরাসের আলোতে তমসাগান। ফুটো ভিক্ষাপাত্রে আর কত জল, আর কত দীর্ঘশ্বাস সৈকতের ভেজা বাতাসে ছড়িয়ে দেব?
পরাজয়ের নিয়ম মেনে পথে নেমেছি - সমুদ্র, ঝাউবন, উপকূলে মকর রাশির ছায়া এবং আমার যাতায়াতের পথে পড়ে আছে কিশোরীর রক্ত মোচনের তুলা ও ছেঁড়া ন্যাকড়া।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন