চৈত্রের অসহ দাবদাহে আমি পেতে চাই অফুরান বৃষ্টিমাখা ভালোবাসা
বনের ভেতর সেতুহীন নদীর নীলচে জলে যখন তোমার সাদা হাত
আলোড়ন তুলছিল;মনে হল গোটা পৃথিবীর ধ্বংশস্তুপ অম্লান মিশিয়ে দিচ্ছ
একাকীত্বের মুহূর্তে আমি জেনে গিয়েছিলাম সমুদ্র কতটুকু গভীরতা ধরে
মৃত্যু এবং জীবনের দুর্বার ঘুর্ণির আকর্ষিত পথে সূর্য্যাস্ত বাসনাময়
ভবিষ্যতের নির্ভার উপকূলে বালির বসতি অনির্বাণ দাউ দাউ জ্বলে হুতাশনে
বিমূর্ত ভাবনাগুলো ভেঙে ফেলে প্রিয় কবিতার সৌন্দর্য্যময়তা তবু সতর্কতা
মেনে যখনই সুরক্ষিত অন্তর্বাসের বাধন খুলে ফুসফুস ভরে ঘ্রাণ নিই
অনাঘ্রাতা যোনী এবং দুর্নিরিক্ষ্য শরীরের-----প্রবল মুহূর্তে জেনে যাই,নিষ্ফলতা
আমার কবিতাগুলো অনায়াস ভঙ্গিতে পাঠক ছুঁড়ে ফেলে আস্তাকুড়ে
বসন্ত ছুঁই নি কতকাল
খোলা আকাশ দেখিনি কতকাল
গোধূলির আলোয় হাঁটি নি কতকাল
কাল পূরুষের পায়ের তলায় মাথা তুলে দাঁড়াই নি কতকাল
কখনো কখনো বিবমিষা পেলে দেখিঃ তোমার অমৃত চোখে পবিত্র পিপাসা
শেষ বসন্তের দিনে তুমি আমাকে যে সব ফুল দিয়েছিলে
তাতে একটাও গোলাপ ছিল না তবু নির্জনে একাকী
রক্তিম কাটায় ক্ষত-বিক্ষত হয়েছি;মাঝরাতে তীব্র রিরিংসার যন্ত্রণায়
সূচীভেদ্য অন্ধকারে নিভে যায় একে একে সব মোমবাতি
স্বচ্ছ পোষাকের ভারহীন তুমি কেন যে কাঁদ তা বিসর্জনের অশ্রুমোচন
না কি পারিজাত প্রেমের বেদনা
পরিমাপে পরিমাপে দিন গেল,গার্হ্যস্থ জীবন আটপৌঢ়ে প্রগাঢ় স্তব্দতা
নিস্তব্দ সবুজে লেখা হয় নি অতীত তবু সমুদ্র সৈকতে খুঁজি তোমার পায়ের ছাপ
প্রুতিশ্রুতি ছিল কিন্তু চোখের সমুদ্রে নেমে দেখনি কখনো মুক্তো আছে কি না
যখন আমাকে অন্য নামে ডাক,আরেক ভাষায় বল,''কাল রাতে কবিতা লিখেছ?''
হৃৎপিন্ড চুইয়ে পড়ে অনন্ত রক্তের ধারা,জেগে উঠি----ক্লান্তিহীন হলুদ মলাটে
বুকের ভেতর কলকল শব্দে ছুটে যায় বাঁধ ভাঙা জল
সমগ্রতা চেয়ে বসে,'বৃষ্টিমাখা ভালোবাসা'
বনের ভেতর সেতুহীন নদীর নীলচে জলে যখন তোমার সাদা হাত
আলোড়ন তুলছিল;মনে হল গোটা পৃথিবীর ধ্বংশস্তুপ অম্লান মিশিয়ে দিচ্ছ
একাকীত্বের মুহূর্তে আমি জেনে গিয়েছিলাম সমুদ্র কতটুকু গভীরতা ধরে
মৃত্যু এবং জীবনের দুর্বার ঘুর্ণির আকর্ষিত পথে সূর্য্যাস্ত বাসনাময়
ভবিষ্যতের নির্ভার উপকূলে বালির বসতি অনির্বাণ দাউ দাউ জ্বলে হুতাশনে
বিমূর্ত ভাবনাগুলো ভেঙে ফেলে প্রিয় কবিতার সৌন্দর্য্যময়তা তবু সতর্কতা
মেনে যখনই সুরক্ষিত অন্তর্বাসের বাধন খুলে ফুসফুস ভরে ঘ্রাণ নিই
অনাঘ্রাতা যোনী এবং দুর্নিরিক্ষ্য শরীরের-----প্রবল মুহূর্তে জেনে যাই,নিষ্ফলতা
আমার কবিতাগুলো অনায়াস ভঙ্গিতে পাঠক ছুঁড়ে ফেলে আস্তাকুড়ে
বসন্ত ছুঁই নি কতকাল
খোলা আকাশ দেখিনি কতকাল
গোধূলির আলোয় হাঁটি নি কতকাল
কাল পূরুষের পায়ের তলায় মাথা তুলে দাঁড়াই নি কতকাল
কখনো কখনো বিবমিষা পেলে দেখিঃ তোমার অমৃত চোখে পবিত্র পিপাসা
শেষ বসন্তের দিনে তুমি আমাকে যে সব ফুল দিয়েছিলে
তাতে একটাও গোলাপ ছিল না তবু নির্জনে একাকী
রক্তিম কাটায় ক্ষত-বিক্ষত হয়েছি;মাঝরাতে তীব্র রিরিংসার যন্ত্রণায়
সূচীভেদ্য অন্ধকারে নিভে যায় একে একে সব মোমবাতি
স্বচ্ছ পোষাকের ভারহীন তুমি কেন যে কাঁদ তা বিসর্জনের অশ্রুমোচন
না কি পারিজাত প্রেমের বেদনা
পরিমাপে পরিমাপে দিন গেল,গার্হ্যস্থ জীবন আটপৌঢ়ে প্রগাঢ় স্তব্দতা
নিস্তব্দ সবুজে লেখা হয় নি অতীত তবু সমুদ্র সৈকতে খুঁজি তোমার পায়ের ছাপ
প্রুতিশ্রুতি ছিল কিন্তু চোখের সমুদ্রে নেমে দেখনি কখনো মুক্তো আছে কি না
যখন আমাকে অন্য নামে ডাক,আরেক ভাষায় বল,''কাল রাতে কবিতা লিখেছ?''
হৃৎপিন্ড চুইয়ে পড়ে অনন্ত রক্তের ধারা,জেগে উঠি----ক্লান্তিহীন হলুদ মলাটে
বুকের ভেতর কলকল শব্দে ছুটে যায় বাঁধ ভাঙা জল
সমগ্রতা চেয়ে বসে,'বৃষ্টিমাখা ভালোবাসা'

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন