বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫
ভ্রুণ
নির্বেদ শূন্যতা এবং আত্মরতিহীন বিচ্ছেদের নীল মুছে ফেলে যুবাপুরুষের পূণর্বার ইচ্ছে জাগছে প্রেমের,সম্ভোগের। আনুপাতিক বাঁশবনের ছায়া ছায়া মুছে অতঃপর সূর্য ডুবে যায় দ্রুত- অনায়াস তার ডুবে যাওয়া - আরাধ্য কামনায় থরথর কেঁপে ওঠে কিশোরী,যুবতী আর প্রোষিত-ভর্তৃকা - সন্ধ্যা ও রাতের যুগল সদ্ভাবে জেগে উঠছে বাতাস - স্মৃতিজল তার পূর্বাপরতায় ভাসিয়ে নদীর দুই কূল যথার্থ বিশ্বাসে কুকুরকুন্ডলি শুয়ে থাকে পায়ের তলায় - এত যে প্রেম,দ্বৈরথ,- নিরালোক রশ্মির পরিদ্রবণে কেবলই শরীর জাগছে - পীতাভ নাভির মধ্যে যেখানে আগুন মুহূর্মুহূ জ্বলে আর উরুসন্ধি বেয়ে লবণজলের ধারা নেমে আসে - অঘ্রাণিত কুমারী যোনী ও স্তনবৃন্ত ঘিরে শুয়াপোকার সংকেতধ্বনি;অনঙ্গ আগুন ঝরে যায় - অগ্নির সমাজ বড় বেশী স্পর্শকাতর - আদিম,বন্য এবং রক্তলোলুপ - নিস্তব্ধ শরীরের ভাঁজে ডুবে যায় ইহলৌকিকতা-অর্থ-সংস্কার-সংযম।
তোমাদের পরিণতি বলে কিছু নেই - তোমাদের সমাজনীতি নির্মম - তোমাদের বৈদ্যেরা ছুরি-কাঁচিতে নিতান্তই পারদর্শী - গর্ভাধার খুঁড়ে যে সমস্ত ভ্রুণ ফেলে দিয়েছিলে - জন্মের আস্বা্দদ্মুখে তারা সমুদ্রের জলে সাঁতার কাটছে মৃত্যুকে এগিয়ে নিয়ে - তোমাদের এত জন্মভয়?
সেইসব মায়েদের কান্নায় একক এবং তুলনারহিত ভ্রুণ বড় হওয়ার গান গাইতে গাইতে অবিশ্বাস করেছিল পিতা,পিতৃপুরুষ - ঈর্ষার খেলা ভাঙতে ভাঙতে আতুরালয়ের পাশে সার্বভৌম পুরুষের পুরুষত্ব খেলাচ্ছলে নষ্ট করে দিয়েছিল - ঐ অঙ্গটা অযৌক্তিক বলে মনে হয়েছিল?নিরুজ্জ্বল ভবিভব্যতার কথা ভেবে জটিল লিখন ভঙ্গিমায় পাতার শিশিরবিন্দু,অন্ধকার,হিম,রক্ত,দাবানল,বৃষ্টিধারাজলে যত কবিতা ও গান - বিদ্যুতের তারে শোনা যায় ক্লান্ত ভ্রুণের অনুচ্চারিত পঙতি।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন