শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫
আঁচলে বাঁধা কোজাগরী চাঁদের টুকরো?
আকাঙ্খার অসহ্য আক্ষেপে আমি কেঁপে উঠেছিলাম - আর্তনাদ ও অবসাদে রাতের কংকালশীর্ণ দেহে জড়িয়ে নিয়েছি জ্যোৎস্নার আঁচল। অবগুন্ঠিতা রমণী,তপ্তহত আমার এ মুখ চাঁদের মতোন পান্ডুবর্ণ,বরফের মতোন শীতল - সূর্যমুখী পৃথিবীতে যদি
অগ্নির অক্ষরে লিখি নাম - জ্বলে ওঠে বুক দাউ দাউ
জলের অক্ষরে লিখি কবিতা - অকাল বর্ষণের ঢলে ভেসে চলে যায়
বালি,কাশবন ও উড়ন্ত পাখিদের ডানায় লিখেছি প্রিয় নাম
অরূণোদয়ে হৃদয় খুলে দিয়েছিলাম - দেখো নি
প্রিয় নিঃসীমতা ভুলে প্রতীক্ষিত প্রহরে নিভৃত কান্না। সান্ধ্য শহরের নির্জনতা বুঝে নিয়েছিল নিদ্রাহীন জ্বালা।মুঠোয় ধরতে পেরেছিলে সকালের আলো বা আঁচলে ধরে রেখেছিলে কোজাগরী চাঁদের টুকরো?
তোমাদের লীলাময়ী হাত থেকে খসে পড়ে প্রেম,আলো,সারাৎসার জীবন। তমসাগান আর ভৈরবীতে এতোদূর চলে এসেছ?ফেরার পথে মিলনের সম্পূর্ণ মায়ায় মমতামাখানো সকাল।
আঁচলে তন্দ্রা ঢেকে রাখ।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন