Powered By Blogger

শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

দ্বিতীয় নির্মাণ

কাঁশবন।বধির নৌকার সারি।অনিশ্চিত প্রতিটি পদক্ষেপের সাথে ভূগোল ঘুরছে।
ওই দেখ,আকাশ কেমন ঝূঁকে আছে পৃথিবীর দিকে,শোনো,তার শ্বাসপতনের শব্দ।
রৌদ্র ও আবহমান নক্ষত্রের আবর্তনে গৈরিক দ্যুতির ব্যবধান।নির্মোহ বিশ্লেষে
প্রারম্ভিক প্রস্তুতি;যা অনিবার্য্য আমাদের দ্বিতীয় নির্মাণে যথাযথ ইঙ্গিতপালন।

অসাড় সমুদ্রচারী-যারা দ্বীপান্তরে খুঁজে নিয়েছিল দ্বিতীয় আবাস,প্রতিধ্বনিময়,
জোয়ার ভাটার দিকে,খাড়িমোহনার দিক থেকে উঠে এসেছিল সূর্যোদয়ের পথ,
সেই পথে মেঘ ও আলোর রেখা,বাঁশির ফুৎকার,ইদ্দিশ মন্ত্রের মতো ঘন জলরাশি।

ভাঙা ঢোলের আহ্লাদে অনেকান্ত জীবনের সর্বাস্তিক উপস্থিতি;শব্দময় আয়োজনে
তারাপতন মুহূর্ত,অবধারিতের বিকিরণশীল চলমানতা অর্থাৎ শ্বাশতিক।

নিয়মানুবর্ত যা অন্তত বর্ণমুখী-দ্বিতীয় নির্মাণে আত্মবৃত্ত ও একক পরিসীমা।

সমবেত পাঠে পাহাড়ের ঢালে এসে মিশে গিয়েছে আকাশছোঁয়া পদপ্রাতে,প্রতিবিন্দু
নিয়ে জ্বলে ওঠে অন্ধকারের মশাল,উর্ধ্বমুখী শিখা ঢেকে ফেলে প্রতীক্ষার গুহামুখ।

আমার বুকের ক্ষত ঢেকে আছে প্রথম বিশ্বাসে অপুষ্পিত ফুল,শুকনো পথের ধূলো
জমিয়ে রেখেছি।যাকে দেবো ভেবেছিলামঃডানায় রক্তদাগ নিয়ে উড়ে গেছে।এই তীরে
চাঁপা পড়ে আছে সজল সময়।ডানার সীমানা নেই।যতটূকু উড়েছিল ততটুকু

নিজস্ব আকাশ।আত্মঘাতকামী পাখিরা ঝাপিয়ে পড়ে আর আদিগন্ত মাটি ভরে ওঠে
এঁটেল মাংসের গন্ধে।মুখগুলি চেনা যায় নেশায় বিকল চোখ,ধূপচ্ছায়া,ধূনিজ্বালা
ধূপের মতোন উড়ে যায় দীর্ঘরাত।সমুদ্রের রঙে মসৃণ ছিল না ভালোবাসা তবু
প্রথম বিশ্বাস হাতে তুলে দেবো দ্বিতীয় নির্মাণ শেষ হলে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন