রাত্রির নিঃস্বনে কিশোরীর স্পষ্টতায় কেন বারবার গুমড়ে গুমড়ে কেঁদে ওঠো
সমগ্রতা বিলিয়ে দেয়ার লগ্নে,মহালয়ার পবিত্র ক্ষণে,অজস্র মুমূর্ষা আর
শিল্পের অন্বয়ে ,শ্লথ শিথিল মুহূর্তে অন্তহীন,অন্তহীন শূণ্যতায় ভেসে যাও
সোনা রঙের শরীর থেকে শুভ্র পোষাক যখন একে একে খুলে নিই,আনমনা
প্রবল মুহূর্তে গ্রহণের অন্ধকারে ভেতর তুমি নিজেকে নিহিত ধরে রাখ
মৃতের প্রাণের মতো চেতনাহীন শীতলতায়,ক্লীবত্বের জ্বালাময় দৈন্যভারে
আপ্লুত আহ্লাদে চাঁদ বেলেল্লা জ্যোৎস্নার ভষ্মে স্বপ্নময় মসলিন ভাষার কবিতা
লেখে তোমার উঠানে,নীল স্বচ্ছতায় ডুবে থাকে চন্দ্র মল্লিকার ঝাঁড়,বাঁশবন
জেগে ওঠে ত্র্যহস্পর্শে ঝিঁ ঝিঁ,গুবড়ে পোকার দল,নিশাচর পাখিদের হাঁকডাকে
তুমি তখন জ্বলন্ত অগ্নি হাতে ফিরে যাও ঘরে বৈষয়িক মানুষের মতো
বিরহী দাঁড়ের শব্দে,আসন্ন জোয়ারে সমুদ্রের জলে নৌকাগুলো প্রবাসের পথে
অর্ধেক ডুবন্ত,আধো ঘুম,আধো জাগরণের প্রগাঢ় বিষাদের ছোঁয়ায় ছোঁয়ায়
ভেসে চলে সুদূর আলোর খোঁজে,দীর্ঘ মাস্তুলে মাস্তুলে লেখা থাকে ঝড়ের কবিতা
কল্পিত ঘুমের দেশে তুমি জেগে ওঠো কালপুরুষের পায়ের তলায় ভেঙে পড়ে
শহর,বন্দর---প্রবাসিনী রৌদ্রের আকাঙ্খা বুকে নিয়ে কেন এসেছ দরিদ্র ঘরে
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন