Powered By Blogger

শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

জ্যামিতিক পরিমাপ

জন্মগ্রন্থির জরাজটিল নাড়ী কেটে ফেলে নিপূণ সার্জন।নিষ্পাপ ভ্রূণের শিশুগণ
তোমাদের অভিবাদন দ্বিতীয় নির্মাণের পৃথিবীতে।আলো এবং ছায়ার অন্তরালের মধ্য
জেনে নাও এখানে সবাই জুতো পায়ে প্রস্তুত।বস্তুতঃ চারিদিকে এতো মানুষ পোড়ার গন্ধ,
চোখ ঢেকে যায় কালো ভস্মে।মানবিকতার চেয়ে রাজনীতি এখানে অনেক বেশী লোভনীয়।
নগর ধ্বংসের পরে ফুলে ফেঁপে উঠেছে বারুদ,সার্জিক্যাল টেপ এবং ব্যান্ডেজের কারখানা।

জ্যামিতির মূল লক্ষ্য ছিল নির্মাণের প্রসারতা,প্রকরণ এবং শৈলী---সমূহ শব্দের মতো
নারীঘটিত শূণ্যতা বিবর্তিত গুহাপ্রান্তে উপবৃত্তাকার পথে ঘূর্ণায়মান।যৌনতা এবং যুদ্ধ,---
বর্ণিল নির্দেশে আবর্তিত।কত সহজ বিপন্ন বিষ্ময়গুলোর অবসান---জ্যামিতিক পরিমাপে
সকলেই চায় স্রোতের অনুকূলতা।

অব্যবহৃত নগরে কুর্চিফুল গাছে যেদিন প্রথম ফুটেছিল;সমস্ত বিকেল জুড়ে
দীর্ঘ পথের মালিন্যে জেনে নাও মানবসভ্যতা হামাগুড়ি দিতে শেখে নি;যে কি না
প্রাপ্তবয়স্ক মাঝরাত্তিরে গ্রাম-গণিকার ভাঙা ভিটায় ঘুমিয়ে থাকে।

কাটা কম্পাসের ভুল পরিমাপে অনেক নির্মাণ।পরিবর্তিত রেখার অপরুপ কারুকাজ।
সিঁড়ির তলায় অন্ধকার মাকড়সার জালবুনন---বাস্তবিক পক্ষে এটা কি নির্মাণ

না-কি জ্যামিতিক ঘেরাটোপ?


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন