Powered By Blogger

শুক্রবার, ৯ মে, ২০১৪

বিহ্বল শঙ্খচিলের ডাক

জলদ মেঘের বাসা ভেঙে অঝোর ধারার স্বতঃস্ফুর্ত বৃষ্টি ঝরেছিল।পাথরপ্রতিম বুকে সজল আদর।বাসাহীন শরীরের স্পর্ধিত ইশারা-সমুদ্রের রঙে,সভ্যতার দগ্ধীভূত পাপে জ্বলে ওঠে চোখ।মধ্যজল পার হয়ে 'গলে যা,গলে যা' বলে দু'য়েকটি বাস্তুসাপ নির্নিমেষ অন্ধকারে অসম্ভব আলো জ্বালে।হৃদয়ের তীব্র অন্তর্দহন,উচ্ছ্বাসী সরলতা অর্থাৎ আবেগী নির্বিকল্প;যা নিথর এবং প্রতিধ্বনিময়।সহজতর স্রোতের অনুকূলে ক্ষেত্রজ নৌকার অনায়াস যাত্রা এবং সমুদ্রবাহিত বাতাসে আমরা ভেবে নিয়েছি নিশ্চিত গন্তব্যের যথার্থতা।নদী তীরের বন্দরে কত গল্প,কত উপ্যাখ্যান নির্মাণ-বিনির্মাণের।পৈঠাতে কাছিম,খাঁড়ি মোহনায় হাঙর পিঠে লবণ জলের ক্ষত,প্রতিহত সূর্যস্নানে শীর্ণ শরীর জ্বলছে;যারা নিজের শক্তিতে গন্ডিরেখা পার হয়ে গিয়েছিল তারা কতটা সফল ছিল?প্রশ্নবোধক জীবন,তার পরিপার্শ্ব ভেদ করে নিজস্ব নিয়মে সৌরমন্ডলের গতি ছুঁয়ে কোন প্রথম মানুষ শুনেছিল বিহ্বল শঙ্খচিলের ডাক।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন