বুধবার, ১৪ মে, ২০১৪
বুকের বাদামী তিল
প্রিয় রমণীর বুকের বাদামী তিল ছুঁয়ে সমস্ত জীবিন সেই ঝর্ণাতলায়,মেঘহরিণীরুপে....।কিশোরবেলাকার রুপকথার মতো মুছে গেছে দিন,রাত।যখন কবির হাত থেকে ফেটে গিয়েছিল কলম ও কবিতার নীল খাতা অনিশ্চয়তায় নক্ষত্রের মধ্যে লীন হয়ে গেল।এক আকাশের সমান লেখার কথা বলে অসাড় আঙুলে পাখির পালক গুঁজে খুঁজে পেতে বালুচর,কাঁশবন এবং গোধূলি বেলার ধ্রুবজ্যোতি,বৃষ্টিগাছের শাখায় আনন্দিত ময়ূরের নাচ আর 'নির্জনতার সমস্ত অধিকার একমাত্র কবিদের জন্যে সংরক্ষিত রাখা হোক' শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত নীলাভ অন্ধকারের বাঁশবন লক্ষ জোনাক পোকার সম্মেলনে।স্ফটিক সময় হাতে,সহজ ভাষায় রৌদ্র ও আলোছায়ার খেলা,শব্দকুহকের সামনে পাথর ঠেলে ঠেলে ইরাবতীর ভবিষ্যৎগামী স্রোতে মৃত্যুর তারিখ ভেসে উঠছে।ওপারে,আত্মীয়বন্ধুর দল।হাতে ধরা ছিল নিমতলীর শ্মশান।
সেইখানে থমকে দাঁড়িয়ে আছে বলয়িত সূর্য ও সৌরমন্ডল।
খাঁড়িমোহনায় কাৎ হয়ে পড়ে থাকা একেলা নৌকায় জলবন্দী মাছেদের পুনর্বাসন,স্বভাবগত মুদ্রাদোষ ও মর্যাদাবোধে সোনারঙা শরীরের বিচ্ছুরণে উদভ্রান্ত কবি সমুদ্রের ভেতর প্রহরী সেজে ঢেউয়ের ফেনায় দু'হাত,---সমুদ্রের অতলান্ত তল খুঁড়ে বালি ও কাঁকর ছেঁকে সাদা শঙ্খ ও স্বপ্নের থেকে সুগত চোখের দৃষ্টিপোড়া সাহসে আরেকবার ছুটে এসে জ্বলন্ত বুকের স্তনশীর্ষে,শান্ত আদরের ছলে দৃষ্টিপোড়া.......।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন