সময়ের নিজস্বতা,শব্দের যোজনা এবং আড়ালের সজলতামুখ ধূয়ে গেছে রাতজলে শব্দহীন দিন খুব বেশী নয় কিন্তু ভূতগ্রস্ত রাতগুলো বুকের ওপর দিয়ে খোঁড়া পায়ে নেমে আসে।ক্ষতহীন মুখের রেখায় পাথরের ভাস্বরতা,বিষাদপ্রতীম চোখে প্রজাপতির ডানার জলছাপ।গোধূলিবেলাকার ছায়ায় খসে পড়া মুহূর্তগুলো চেয়েছে স্তব্ধ কথামালা,অক্ষর ও শব্দে অভিজ্ঞানলব্ধ গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ।পশুবীজ বাতাসে ভাসছে।জেগে ওঠে ক্ষুধা,রিরংসা,জিঘাংসা।অর্বুদকালের পথ পার হয়ে পালিয়ে এসেছি শেকড়ের অন্বেষণে।তা-কি ঠিক?মানুষ ও পশুজন্মে মুছে যাবে পাখিদের ইতিহাস?চাদরে লুকানো রক্তমাখা তীর,ঝুলি ভরে আছে মৃত পাখিদের শরীরে।শিমুলতুলো প্রভাব ও প্রতিপত্তিহীন পাতা,খড়---বাতাসতাড়িত।কার্পাসতুলোর চাষ নেই।পায়ে হেঁটে ফিরেছি,ক্ষেতজাঙালে।নিরক্ষর বেশ্যা ও নটিনীদের পদভারে খরনুপুরের শব্দে কাঁপছে এ ভূমি।মেঘের সারল্য আর দারিদ্রহীনতার নেত্তৃত্বে পিতৃ-পুরুষের এই ভূমিতে যে ভাবে বেড়ে উঠেছিল নটেশাক,গুল্মলতা ও ঔষধি গাছ;উভয়তোমুখে আজ ভাবিঃঅপরিণত মাটির তলাকার অশ্রু-স্বেদ-রক্ত-ঘাম এবং ডাহুকবিলের শুকনো চরায় প্রিয় কবিতা ও গাঁথাগুলো উপাসনারত।উড়ছে বাঁশের পাতা--সরাসরি স্বস্তিময় সুখের মতোন এবং আমরা অপেক্ষারত মৃত্যু ও সহমরণে।চিতা প্রস্তুত।অকাল বৈধব্যকে টেনে তোল আর অই দিকে ঘরে ঘরে অভিনীত হতে থাক 'বাল্মিকী প্রতিভা।'
লতানো গাছের নীল শাখাপ্রশাখায় মৌমাছি প্রজননের পরীক্ষামূলক প্রকল্প ঝুলছে।ওই গাছগুলোর তলায় ঘাস এবং কবর;অভ্রখনির মতো নির্বিকার।অজ্ঞাত বছর শেষে নানান গোপনীয়তা থেকে উদভ্রান্ত মানুষের কলস্বরে বসবতের গূঢ় ধৈর্য্য থেকে আমার অন্ধত্ব ও কু-সংস্কারের ভাঙা দাঁড়িপাল্লা,বস্তুজগতের টুকরো সাজানো--ভাসমানতায় ভরা অথচ অক্ষম ভেসে যেতে শূন্যের ভেতর।ভূর্জপত্র,তালপাতায় কে লিখে রেখে গেছে মানুষের সারাৎসার জীবন ও গান?বীজ ও পতঙ্গে পরিপূর্ণ আমার করোটি ভরে আছে কোকিলের ডাকে।বসন্ত পূর্ণিমা রাতে পুজো হবে তারপর বিসর্জনের বিষাদ।
লতানো গাছের নীল শাখাপ্রশাখায় মৌমাছি প্রজননের পরীক্ষামূলক প্রকল্প ঝুলছে।ওই গাছগুলোর তলায় ঘাস এবং কবর;অভ্রখনির মতো নির্বিকার।অজ্ঞাত বছর শেষে নানান গোপনীয়তা থেকে উদভ্রান্ত মানুষের কলস্বরে বসবতের গূঢ় ধৈর্য্য থেকে আমার অন্ধত্ব ও কু-সংস্কারের ভাঙা দাঁড়িপাল্লা,বস্তুজগতের টুকরো সাজানো--ভাসমানতায় ভরা অথচ অক্ষম ভেসে যেতে শূন্যের ভেতর।ভূর্জপত্র,তালপাতায় কে লিখে রেখে গেছে মানুষের সারাৎসার জীবন ও গান?বীজ ও পতঙ্গে পরিপূর্ণ আমার করোটি ভরে আছে কোকিলের ডাকে।বসন্ত পূর্ণিমা রাতে পুজো হবে তারপর বিসর্জনের বিষাদ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন