মানববৃত্তের রেখা ছুঁয়ে অপরিসর গহ্বর এবং জীবাষ্মের অন্ধকার থেকে করপুট ছেঁকে তুলে নিয়েছিলাম যে জীবনের সারাৎসার;সুসজ্জিত বিকলাঙ্গদের শোভাযাত্রায় অনুপস্থিত রৌদ্রময়তার অনুষঙ্গরিক্ত বর্তমানে প্রবাহমানতার ভেতর প্রতিফলনের উপচারে গোধূলির সম্পূর্ণতা।উজ্জীবনের তামসী অস্বীকারে নিঃসংশয় অতীত ও অনাগতকাল অর্থাৎ ভবিষ্যতের রুপ ও রঙের ক্রমাবনতির ঢালে জলসিক্ত প্রান্তর ও বাসভূমি-সংবেদনশীল;যা স্পষ্টতঃ শেকড়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।অশান্ত সংসারের ওপর অনাবসান-সুগত চোখের জলে আয়তনহীন এই দশদিকে শাখা-প্রশাখায় রক্তফল,---স্বাদু এবং বেঁচে থাকার পরার্থপর অগ্নি।অর্ধন্মাদ,উলঙ্গ মানুষেদের মুখোমুখি লিখে রেখেছিঃঘাসের বিছানায় যারা শুয়েছিল,দেহতাপে পুড়ে গিয়েছিল ফুল আর অতৃপ্ত সঙ্গীকে ছুঁড়ে ফেলেছিল-তাদের সম্পর্কে ভাবিঃবজ্রকলঙ্কিত ও কাটারিদাগে সুখভোগ.....।
প্রশ্নাতীত সহানুভূতিশীলতায় আকন্ঠ নিমজ্জিত স্নায়ুউর্ধ্ব দৃশ্যকল্পে শর্তস্বাধীন,নিরতিশয় সমজ্ঞানে।একাগ্রতা ভুলে পরিত্যক্ত পথ;যা নির্জন-দৈনন্দিন ব্যবহারে দ্বিধা,বধির কুয়াশা এবং উঁচু অশোকের ডালে মনে আছে লেজ ঝোলা কিছু পাখি....
প্রশ্নাতীত সহানুভূতিশীলতায় আকন্ঠ নিমজ্জিত স্নায়ুউর্ধ্ব দৃশ্যকল্পে শর্তস্বাধীন,নিরতিশয় সমজ্ঞানে।একাগ্রতা ভুলে পরিত্যক্ত পথ;যা নির্জন-দৈনন্দিন ব্যবহারে দ্বিধা,বধির কুয়াশা এবং উঁচু অশোকের ডালে মনে আছে লেজ ঝোলা কিছু পাখি....

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন