একসাথে নীল পাথরে হেঁটেছিলাম।শীতের জটিল কুয়াশায় শরীরের উষ্ণতা জলের তলাকার স্তরে নেমে কপালের অকালরেখা,ঠোঁটের কোণে আঁকা লুব্ধ আগুন ও চুম্বনের মধ্যে ডানা ঝাপটে বেড়িয়েছিল এক লক্ষ ফলাহারী বাদুড়।অথচ সেই বহুরুপে অবতীর্ণ রাত,সাঁকোবিহীন নদীর ভাঙা তীরে প্রেম এবং বিচ্ছেদের মাঝখানে পড়ে আছে সরল রৈখিক পথ;বটের পাতার দুধ আর পৌষের শিশির লেগে থাকা নদীর দু'তীর ছেঁপে জল ও স্রোতের কলস্বরে আমাদের বিস্ময়াবিষ্ট বিস্ময়গুলো মূর্ত হয়ে ওঠে একটি নির্দিষ্ট বিন্দু আর বিসর্পিল রেখায়।শুকনো খড় জ্বলে।এই তীর থেকে ওই তীরের দূরত্বে ঘূর্ণিচরাচরের সমস্ত রাত স্মরণস্তম্ভের মতো নিঃস্মরণ ও আঁকর দিনগুলো নির্মাণ ও বিনির্মাণে শেষ হয়ে যায়।মধ্যরাতের নীলাভ মুখের প্রচ্ছদ ফেটে আণবী ছটায় বের হয়ে আসে নিহিত বোধের নিজস্বতা-স্পর্শমাত্র যতদূর চোখ যায়,ততদূরে শূন্য থেকে শূন্য উড়ে যায় প্রলামনিমগ্ন স্বপ্ন ও স্ফটিক সময়ের জলভার

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন