Powered By Blogger

রবিবার, ১৮ মে, ২০১৪

সমকাল

পরাবাস্তববাদী দৃশ্য ও চেতনার ভেতর প্রবল আলোড়ন;এ দেহ সংকেতে পরিপূর্ণ-পাঠ এবং প্রতিপাঠে বিচিত্রিত পৃথিবী হিংসার অবলীঢ় তাপে জ্বলছে।আগুনে ডাক,আলেখ্য,কাব্যের অন্তর্গত দ্রোহ ও প্রেমের সম্মিলনে যে-বাল্যে মানবজন্ম কেটেছিল আপাত স্বপ্নের রেতঃপাত থেকে;সেই ভুল জন্ম,ঐহিকতা,জায়মান শ্রেয়বোধে তুলা ও শস্যের ক্ষেত পরিত্যক্ত প্রায়।দ্বি-মুখী সমাজ নিরপেক্ষ জোটবদ্ধতার রক্তমাখা নখ থেকে ঝরে পড়ে সাংসারিক বৃষ্টি আর বোধিবৃক্ষের তলায় ধ্যানমগ্ন বুদ্ধের শরীরে বাসা বাঁধে মৌমাছির ঝাঁক।চাক ভেঙে যারা মধু নিতে এসেছিল,তারা সকলেই দেখেছেঃঅস্বাভাবিক জীবানুর স্থিতিস্থাপকতা,ধ্বংস ও সূর্যোদয়ের পাশাপাশি অকাল বৈধব্য,বহু পরিচর্যাজাত খামার চাষের ক্ষেতে লতিয়ে উঠছে মুথা,দূর্বাঘাস।সম-সাময়িক রসায়নে জারিত যবের দানা,আঙুরের রস ক্রমঃবর্ধমান লক্ষ্যমাত্রার সারণি ছুঁয়ে গন্ধকময় ঝর্ণার জলে মিশে আছে।গ্রাম্য কিশোরীর প্রতি যৌনতা ও উপদ্রবে পারঙ্গম ধর্মচ্যুত,ধর্মজ্ঞানী সাধুর নক্ষত্রহীন মাঠ হতে সশব্দে উৎখাত হতে থাকে শহরের স্তব মুখে।পড়ে থাকে ত্রিশুল,ধূনির ভান্ড।হাতে উঠে আসে পরিত্রাণের শাবল।কঠিন মাটির স্তর ভেঙে জলময় আঘাতে আঘাতে গড়ে তোলা নিমগ্ন প্রাচীর;লোভ ও বিভাজনের-পরস্পর ভিন্নতায় অনির্দেশিত অপরাধ ও ক্ষমতার ক্রোড়পত্রে ক্রীড়াশীল অগ্নি। আপাতত শান্ত,নিরুদ্বেগে রেখেছে ভরাট মেঘপুঞ্জ,দিন ও রাতের ভঙ্গুরতা।অলস ভাসান কিংবা আত্মঘাত থেকে লাফিয়ে উঠছে শব,কপালে জন্মের জলছাপ সমেত;যখন এক পথ থেকে আর এক পথের দূরত্ব--সমকাল।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন