তোমার পূর্বের নারী এক প্রবল ঝড়ের রাতে
বস্তুব্যাপক উপলব্ধির মুখোমুখি বলেছিল,
'স্বপ্নের ভেতর মগ্ন মানুষ দৃশ্যতঃ
ফেরে না তাদের নির্ধারীত জায়গায়।'
বাস্তবিক আমার নৌকার তলা ফেঁসে গেছে। আমি চরায় আটকে আছি।
আমার আকাঙ্খা ছিল সূর্যের চেয়েও দীপ্তমান।প্রদোষের অন্ধকারে
চলাচলরত ইঁদুরেরও হয় না ততোধিক।বিদায় বেলার রাতে
খুব শীত পড়েছিল।চাঁদরে জড়িয়ে নিয়েছিলে নিজেকে?প্রতিভাবান চাঁদ
থানার দারোগা বাবু নক্ষত্রসন্ধির প্রতি গাঢ়
মনোযোগে সুনিপূণ লেখে দিনপঞ্জী।
আমাদের আরো কত কিছু শেখা বাকী।
২.
অতঃপর জৈবিক বপণ শেষে
আমরা শস্যফলন বিষয়ক আলোচনায় মেতেছিলাম।
আবছা নদীর দুই তীরে তরমুজ বন ।কিছু দূরে একাকী ধানক্ষেতের পাশে
সূর্য ডুবে যায় দ্রুত।সপ্তর্ষিমন্ডল তার নভোরশ্মির পোষাকে
আমাদের প্রসন্ন উঠোন ঘিরে রাখে।তাদের নানান গোপণতা থেকে
ঝরে পড়ে মৌল রসায়নরাশি।চাল থেকে ভাত রন্ধনপ্রণালী
চোলাইমদ,রেশম গুটিপোকা;পূর্ণতা প্রাপ্তির গূঢ় ধৈর্য্যে,---
এখনো বুঝি নি প্রাকৃতিক দুঃখজটাজাল?
আমার ঘরের জানালাবিহীন অন্ধকারে শেষ কবে নক্ষত্রের ম্লান আলো
এসে পড়েছিল।কবিতার নিষ্ফলতা থরে থরে সাজানো রয়েছে ওই
নীল পানা পুকুরের অস্বচ্ছ জলের স্তরে;
বালিকার দুর্নিরীক্ষ্য শরীরের মতো।
মৌল রসায়নশাস্ত্র আমাদের বেঁচে থাকার উপকরণ
পরার্থপর আগুন,জল,পাহাড়ের কাছে শিখে নিয়েছি ভূ-তত্ত্ব,
চিকিৎসাবিজ্ঞান,ধাতুর বিবিধ ব্যবহার।
যে চড়ুই পাখিটির ডাকে আমাদের ঘুম ভাঙে
তারও তো প্রয়োজন খুঁদকুড়া ও প্রজননের।
বস্তুব্যাপক উপলব্ধির মুখোমুখি বলেছিল,
'স্বপ্নের ভেতর মগ্ন মানুষ দৃশ্যতঃ
ফেরে না তাদের নির্ধারীত জায়গায়।'
বাস্তবিক আমার নৌকার তলা ফেঁসে গেছে। আমি চরায় আটকে আছি।
আমার আকাঙ্খা ছিল সূর্যের চেয়েও দীপ্তমান।প্রদোষের অন্ধকারে
চলাচলরত ইঁদুরেরও হয় না ততোধিক।বিদায় বেলার রাতে
খুব শীত পড়েছিল।চাঁদরে জড়িয়ে নিয়েছিলে নিজেকে?প্রতিভাবান চাঁদ
থানার দারোগা বাবু নক্ষত্রসন্ধির প্রতি গাঢ়
মনোযোগে সুনিপূণ লেখে দিনপঞ্জী।
আমাদের আরো কত কিছু শেখা বাকী।
২.
অতঃপর জৈবিক বপণ শেষে
আমরা শস্যফলন বিষয়ক আলোচনায় মেতেছিলাম।
আবছা নদীর দুই তীরে তরমুজ বন ।কিছু দূরে একাকী ধানক্ষেতের পাশে
সূর্য ডুবে যায় দ্রুত।সপ্তর্ষিমন্ডল তার নভোরশ্মির পোষাকে
আমাদের প্রসন্ন উঠোন ঘিরে রাখে।তাদের নানান গোপণতা থেকে
ঝরে পড়ে মৌল রসায়নরাশি।চাল থেকে ভাত রন্ধনপ্রণালী
চোলাইমদ,রেশম গুটিপোকা;পূর্ণতা প্রাপ্তির গূঢ় ধৈর্য্যে,---
এখনো বুঝি নি প্রাকৃতিক দুঃখজটাজাল?
আমার ঘরের জানালাবিহীন অন্ধকারে শেষ কবে নক্ষত্রের ম্লান আলো
এসে পড়েছিল।কবিতার নিষ্ফলতা থরে থরে সাজানো রয়েছে ওই
নীল পানা পুকুরের অস্বচ্ছ জলের স্তরে;
বালিকার দুর্নিরীক্ষ্য শরীরের মতো।
মৌল রসায়নশাস্ত্র আমাদের বেঁচে থাকার উপকরণ
পরার্থপর আগুন,জল,পাহাড়ের কাছে শিখে নিয়েছি ভূ-তত্ত্ব,
চিকিৎসাবিজ্ঞান,ধাতুর বিবিধ ব্যবহার।
যে চড়ুই পাখিটির ডাকে আমাদের ঘুম ভাঙে
তারও তো প্রয়োজন খুঁদকুড়া ও প্রজননের।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন