দূরাগত প্রাকৃতিক দৃশ্য,বিপন্ন মানুষ,প্রজাপতির রঙিন ডানা,দীর্ঘতর বট
আমি এসবের থেকে আড়াল চেয়েছিলাম পরাভূত সময়ে মূখর হাসি,আর্তনাদ
বস্তুত প্রান্তিক ভালোবাসার ভেতর থেকে জ্বলে উঠেছিল চিতা,রাত্রিবেলার নিঃস্বনে
জন্মজামিন প্রেমিকা সমর্পণের সমস্ত উজ্জ্বলতা নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে,মুখোমুখি
চন্দ্রতাপ,নিষ্ফলতার চাবুক শিষ কাটে,স্মৃতিজলে সাঁতরায় কয়েক হাজার হাঁস
উন্মুক্ত নাভির ঘ্রাণে শুয়ে আছি প্রেমিকার পাশে,একপাশে আলো,আলোর ভেতর শূন্য
ভেঙে এনেছি ত্রিতাল,কোন তল থেকে বের হয়ে আসে স্বরধ্বনি,পায়ে পায়ে ব্যকরণ
শৃঙ্খলের ব্যঞ্জন,বুকের মধ্যে একাদশীর একেলা অন্ধকার,কখনো রক্তের ডাক
জল থেকে শিহরণ,নাবিকের হাড়ে লবণ-ফেনার স্তুপ,চিমনির ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে
অশ্বমেধযজ্ঞের রহস্য,দশাশ্বমেধ লাফিয়ে ওঠে অনাদিকালের মানুষের টানে

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন