Powered By Blogger

বুধবার, ৫ মার্চ, ২০১৪

বিস্মরণের লালচে মৃত্যু

শহরের এক গলি থেকে আরেক গলির মোড়ে অস্বচ্ছ গোধূলি ছায়া মেলে আছে।
আসন্নসনভব নির্জনতা,আতপ্ত নিবিড় সঞ্চারিত রক্ত,বিমূর্ত বিস্ময়ে প্রবাহিত
মন্থর সময়।নিমগ্ন জানালা বন্ধ করে রেখেছ?ঘরের মধ্যে অরব আলোর রেখা।
সংহত দেয়াল দ্যুতিহীন,অসম্পূর্ণ রঙের বিশ্লিষ্ট সিঁড়ির তলায়,অন্ধকার কোণে।
নিঃস্বন রাতের পথে কোন প্রতিবাদ নেই।আমি ক্লান্ত হেঁটে আসি।করতলে ম্লান ছবি
মুখের প্রচ্ছদে বাদামী হাতের ছাপ।সম্পুর্ণ ছবিটা স্পষ্ট মনে আছে শুধু রেখাগুলো
নিস্পৃহ বিষাদে উপলব্ধ যন্ত্রণায় বিচিত্রিত শূণ্যতায় সমর্পিত,সমন্বয়ী ব্রতে।

আমি শূণ্যের জাতক।অসামান্য বাসন্তী রঙের শূণ্য বিস্তীর্ণ আলোকবর্ণ চরাচরে
পায়ে পায়ে জড়িয়ে চলছে।বাড়ি থেকে বের হলেই ফেরার পথে শূণ্যতা আঁধার করে
পথ ঢেকে রাখে।কত দীর্ঘ দিন ধরে থেমে থাকা এ শূণ্যতা আমার কপাল আলো করে
পরিয়েছে সোনালী চন্দন-যতদূর তার আলো,ততদূর প্রস্তুত উৎসর্জনের পটভূমি।
তামসী বিস্ময় আর নিবিড় একাগ্রতায় ফুঁসে ওঠে বিস্মরণের লালচে মৃত্যু।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন