অপলাপী ভাষার কবিতা,তারবার্তা;যা ভাঙবার নয়,---
তাও ভেঙেছিলাম পৌষের শীতে।সুযোগ সন্ধানী কিছু ফুল
ঝরে পড়ে চৈত্রের দুপুরে।যে সরলতা জীবনের কাছে প্রাপ্যনীয়--
ঝরে পড়ছে অবলীলায়।আমাদের পশুআত্মা উঠে এসেছে সমুদ্রস্নান শেষে
তার গল্প বাঁশবনে,হলুদ পাতায়।
খসে পড়ে বুকের ওড়না।উড়ে যায় ছেঁড়াখোড়া পাল।
প্রতিমুহূর্ত পরিবর্তিত। শহরের নূতন রাস্তার মোড়ে
মাদারী বসেছে।তার ঝাঁপিতে নানান বুজুরকি।
তাকে ঘিরে আছে উৎসুক বালক এবং বাজার ফেরত লোক।
বস্তুজগতের টুকরো,বিচূর্ণ রৌদ্ররশ্মিকণা,বৃষ্টিমুখর বালকবেলা
বিশুষ্ক ফলের মতো আমাকে ভাসিয়ে নেয় দূর কোন শূণ্যে।
আফ্রোদিসিয়াক নেশায় আচ্ছন্ন ভাবি উত্থানপতনে আমি এক ভ্রষ্ট রাজা।
রঙমহল,বাঈজী,সাকী---চারিদিকে সুরের মুর্ছনা
একেকটি সুরের জন্মরহস্য নির্জীব রেণুর পুঞ্জে কিংবা ফুলের কোরকে।
কাল-মহাকালের আবহমানতার গোপণ গহ্বরে।
অথচ আজও কেন সুর হলাম না
কেন গান হলাম না?
তাও ভেঙেছিলাম পৌষের শীতে।সুযোগ সন্ধানী কিছু ফুল
ঝরে পড়ে চৈত্রের দুপুরে।যে সরলতা জীবনের কাছে প্রাপ্যনীয়--
ঝরে পড়ছে অবলীলায়।আমাদের পশুআত্মা উঠে এসেছে সমুদ্রস্নান শেষে
তার গল্প বাঁশবনে,হলুদ পাতায়।
খসে পড়ে বুকের ওড়না।উড়ে যায় ছেঁড়াখোড়া পাল।
প্রতিমুহূর্ত পরিবর্তিত। শহরের নূতন রাস্তার মোড়ে
মাদারী বসেছে।তার ঝাঁপিতে নানান বুজুরকি।
তাকে ঘিরে আছে উৎসুক বালক এবং বাজার ফেরত লোক।
বস্তুজগতের টুকরো,বিচূর্ণ রৌদ্ররশ্মিকণা,বৃষ্টিমুখর বালকবেলা
বিশুষ্ক ফলের মতো আমাকে ভাসিয়ে নেয় দূর কোন শূণ্যে।
আফ্রোদিসিয়াক নেশায় আচ্ছন্ন ভাবি উত্থানপতনে আমি এক ভ্রষ্ট রাজা।
রঙমহল,বাঈজী,সাকী---চারিদিকে সুরের মুর্ছনা
একেকটি সুরের জন্মরহস্য নির্জীব রেণুর পুঞ্জে কিংবা ফুলের কোরকে।
কাল-মহাকালের আবহমানতার গোপণ গহ্বরে।
অথচ আজও কেন সুর হলাম না
কেন গান হলাম না?

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন