উড়ে উড়ে ঘুরছে বাঁশের পাতা।আণব ধোঁয়ার স্তম্ভ;
যা প্রত্যক্ষ এবং ইন্দ্রিয়গোচর---তা ফেলে এসেছি।
আঙুলের কর গুনে গুনে খাজনা আদায়,---
অথচ খরায় পোড়ে,বানে ভেসে যায় আলবাঁধা ফসলের ক্ষেত।
কে হিসেব রাখে?
অংশত রহস্যঘেরা প্রকৃতির বিচরণ।
ফেনদুগ্ধময় গো-চারণ ভূম,
ভুল পথে তাড়িত বিবেক,
ক্ষুধা-তৃষ্ণা-জ্বরা-মৃত্যুহীন এক একাকী ঈশ্বর
অযত্নে গা মুছে ঐ দূরের মাঠে শুয়ে আছে।
রথ নেই,পায়ে হাঁটছি।পথের দিক পাতার সংকেতে,
বনবিপর্যয়ে মরুভূমি বোধে রঙের প্রকৃতি যেন শোণিতপ্লাবন ধারা।
পূর্বসুরী কবিদের মতোন আমিও স্বপ্নচারী,
পারঙ্গম বালির ভেতর পথ করে ঢুকে যেতে
ছিদ্রান্বেষণ,পরচর্চায়,খসে পড়া তারাগুলো ঠিক জুড়ে দিয়েছি আকাশে।
আহ্নিক আবর্তে পাকা ফল,বীজ ফুরিয়েছে,---
কেন যে এসব নিয়ে ভেবে ভেবে সারা হচ্ছি?
পূর্বাপর ফিরে যেতে চাই বলে এই গ্রহণের দিনে
নিয়ম ভাঙার খেলা ভেঙে ভেঙে অন্তহীনপথ পাড়ি দেয়া।
এই ক্ষেতজাঙালে পরার্থপর অগ্নি ও পাথর ছুটে যাচ্ছে পথের আড়ালে,
বাগান ও তীর্থস্থান ঘুরে তীর্থযাত্রীরা নামছে পাহাড়ের ঢাল থেকে
সূর্যের প্রতিফলিত আলো ধরে রাখে তাদের পায়ের ছাপ।
আমি জলার ধারের উঁচু পারে বসে থাকি,এ জলের বিভাজন
থেকে উঠে এসেছিল আদিপ্রাণ,
পেছনে পেছনে গান,সহমর্মিতা,বিদ্বেষ,পশুআত্মা।
শামুকলালার দাগ,জলরেখা ঘিরে পদ্মপাতা,স্নানরত আদিবাসী নারী ও পুরুষ,--
চিত্রাপিত ক্রমঃরেখাপাতে অধোঃমুখ।
হাত ইশারায় জটাফুল ডাকে,অনাসক্ত ধুতুরার ফুল রহস্য বোঝে না,
পাখিদের গানে গানে সদুপদেশের সুর?
মঙ্গলঘট,--দেবতাদের জন্যে।আমি কিনে এনেছি কম্পাস
নোঙর কেনা হবে এই হাটবারে,
ততদিন জলযানগুলো ধুয়ে মুছে,বাতিঘর মেরামত করে রাখি।
স্তব্ধ এ সময়ে ঈর্ষাসবুজ কৃষিক্ষেত রৌদ্র,বৃষ্টি চায়,
চায় আরো বেশী শীত,অতিথি পাখির সমাগম।
শিকারীর পেছনে পেছনে বাঘ,বনের ছায়ায়
হরিতকি ফলের অমৃত শ্বাস,অলাবুভক্ষণ।
ছিন্নভিন্ন মৃতদেহের শরীরে উড়ে আসে নীল মাছি,
রক্তস্নান সারা হয়ে গেলে
চারপাশে বেজে ওঠে পাতাদের সশস্ত্র সন্ত্রাসে
সেচজমি পাশে রেখে গন্ধ শুঁকে শুঁকে এগিয়ে আসছে একদল রুপালী কুকুর।
এখনো জলের ধারে বসে আছি।
রক্ত,অশ্রুপাত,পর্যবেক্ষনে ক্রমশঃ জেনে গেছিঃ
অর্থহীন মানবজন্মে দু'হাতে খামোখাই আগুন ছুঁয়েছি
বৃষ্টিহারা সমস্ত অঞ্চলে কেউ লেখেনি আমার নাম
মাটি,বালি,জল,শিলাগুল্মে।
শরীরের ওপর বৃষ্চিক,নিরুদ্বগে হাঁটে শুঁয়াপোকা।
হাতে তুলে নেই,কেঁপে ওঠে---
বিসর্পিনী অত্যাচারে যা কিছু আমার চারপাশে
একসাথে জ্বলে ওঠে সমস্ত মশাল স্মৃতির,স্বপ্নের।
এক শ্মশ্মাণের থেকে আরেক শ্মশ্মাণ ঘুরে উঠে আসে আত্মঘাত শব
রাত্রিময় অমাবশ্যা---তার দিকে
বিমূঢ়তা নিয়ে বসে আছে চিরহরিতের ক্ষিধে।
আধপাকা ফলের ভেতর ম্রিয়মান আমার পথের
বাঁকে অবিমৃশ্য হাড় মিশে আছে
আর জলের ওপর ভাসছে আমার ছেড়ে আসা ঘর।
যা প্রত্যক্ষ এবং ইন্দ্রিয়গোচর---তা ফেলে এসেছি।
আঙুলের কর গুনে গুনে খাজনা আদায়,---
অথচ খরায় পোড়ে,বানে ভেসে যায় আলবাঁধা ফসলের ক্ষেত।
কে হিসেব রাখে?
অংশত রহস্যঘেরা প্রকৃতির বিচরণ।
ফেনদুগ্ধময় গো-চারণ ভূম,
ভুল পথে তাড়িত বিবেক,
ক্ষুধা-তৃষ্ণা-জ্বরা-মৃত্যুহীন এক একাকী ঈশ্বর
অযত্নে গা মুছে ঐ দূরের মাঠে শুয়ে আছে।
রথ নেই,পায়ে হাঁটছি।পথের দিক পাতার সংকেতে,
বনবিপর্যয়ে মরুভূমি বোধে রঙের প্রকৃতি যেন শোণিতপ্লাবন ধারা।
পূর্বসুরী কবিদের মতোন আমিও স্বপ্নচারী,
পারঙ্গম বালির ভেতর পথ করে ঢুকে যেতে
ছিদ্রান্বেষণ,পরচর্চায়,খসে পড়া তারাগুলো ঠিক জুড়ে দিয়েছি আকাশে।
আহ্নিক আবর্তে পাকা ফল,বীজ ফুরিয়েছে,---
কেন যে এসব নিয়ে ভেবে ভেবে সারা হচ্ছি?
পূর্বাপর ফিরে যেতে চাই বলে এই গ্রহণের দিনে
নিয়ম ভাঙার খেলা ভেঙে ভেঙে অন্তহীনপথ পাড়ি দেয়া।
এই ক্ষেতজাঙালে পরার্থপর অগ্নি ও পাথর ছুটে যাচ্ছে পথের আড়ালে,
বাগান ও তীর্থস্থান ঘুরে তীর্থযাত্রীরা নামছে পাহাড়ের ঢাল থেকে
সূর্যের প্রতিফলিত আলো ধরে রাখে তাদের পায়ের ছাপ।
আমি জলার ধারের উঁচু পারে বসে থাকি,এ জলের বিভাজন
থেকে উঠে এসেছিল আদিপ্রাণ,
পেছনে পেছনে গান,সহমর্মিতা,বিদ্বেষ,পশুআত্মা।
শামুকলালার দাগ,জলরেখা ঘিরে পদ্মপাতা,স্নানরত আদিবাসী নারী ও পুরুষ,--
চিত্রাপিত ক্রমঃরেখাপাতে অধোঃমুখ।
হাত ইশারায় জটাফুল ডাকে,অনাসক্ত ধুতুরার ফুল রহস্য বোঝে না,
পাখিদের গানে গানে সদুপদেশের সুর?
মঙ্গলঘট,--দেবতাদের জন্যে।আমি কিনে এনেছি কম্পাস
নোঙর কেনা হবে এই হাটবারে,
ততদিন জলযানগুলো ধুয়ে মুছে,বাতিঘর মেরামত করে রাখি।
স্তব্ধ এ সময়ে ঈর্ষাসবুজ কৃষিক্ষেত রৌদ্র,বৃষ্টি চায়,
চায় আরো বেশী শীত,অতিথি পাখির সমাগম।
শিকারীর পেছনে পেছনে বাঘ,বনের ছায়ায়
হরিতকি ফলের অমৃত শ্বাস,অলাবুভক্ষণ।
ছিন্নভিন্ন মৃতদেহের শরীরে উড়ে আসে নীল মাছি,
রক্তস্নান সারা হয়ে গেলে
চারপাশে বেজে ওঠে পাতাদের সশস্ত্র সন্ত্রাসে
সেচজমি পাশে রেখে গন্ধ শুঁকে শুঁকে এগিয়ে আসছে একদল রুপালী কুকুর।
এখনো জলের ধারে বসে আছি।
রক্ত,অশ্রুপাত,পর্যবেক্ষনে ক্রমশঃ জেনে গেছিঃ
অর্থহীন মানবজন্মে দু'হাতে খামোখাই আগুন ছুঁয়েছি
বৃষ্টিহারা সমস্ত অঞ্চলে কেউ লেখেনি আমার নাম
মাটি,বালি,জল,শিলাগুল্মে।
শরীরের ওপর বৃষ্চিক,নিরুদ্বগে হাঁটে শুঁয়াপোকা।
হাতে তুলে নেই,কেঁপে ওঠে---
বিসর্পিনী অত্যাচারে যা কিছু আমার চারপাশে
একসাথে জ্বলে ওঠে সমস্ত মশাল স্মৃতির,স্বপ্নের।
এক শ্মশ্মাণের থেকে আরেক শ্মশ্মাণ ঘুরে উঠে আসে আত্মঘাত শব
রাত্রিময় অমাবশ্যা---তার দিকে
বিমূঢ়তা নিয়ে বসে আছে চিরহরিতের ক্ষিধে।
আধপাকা ফলের ভেতর ম্রিয়মান আমার পথের
বাঁকে অবিমৃশ্য হাড় মিশে আছে
আর জলের ওপর ভাসছে আমার ছেড়ে আসা ঘর।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন