মাথার ওপর চৈত্র,মিহি ধূলো বাতাসে উড়ছে।দৃঢ়সম্ভব উপসংহারে
নেমে এসেছি পথের প্রান্তে।দুপুরের ধারাপাতে ধূসর জীবন।
ভাপ ওঠে চারিদিকে।রৌদ্রাহত নির্মলতা ভেঙে তুমি কি ভেবেছ ভুলে যাবে
গতরাতের প্রণয়,মেরুদূরাতীত আত্মপতনের বীজ,
মাটি খুঁড়ে তুলে আনা স্নেহদাগ?
সকালের আলোয় দেখেছি একরাশ রক্তের কাদায় মাখামাখি
শুয়ে আছ,হাঁটু ভাজ,ভ্রুণের আকৃতি।
সুন্দরের মজ্জাহীন শোকের আতসেগড়া রাত্রিগুলো ওড়াও আকাশে
রাজপথ-ঘর-বারান্দা তখন নামহীন অন্ধকারে ডুবে থাকে আর
তোমার মাথার চুল ভিজে যায়।
শরীরের সব দাগ ভেসে ওঠে,রক্তজবা,___
রুপালী পাতারা ফিরে আসে বাতাসে,উঠোনে ঝরে পড়ে
ঘন শীৎকারে ব্যাকুল।
বিচ্ছেদের হেমন্থলুদ পাতা,রক্তবীজের বংশধরেরা
অসাড় দিনের দিকে কতটুকু স্থির---জানতে চেয়েছ?
সবুজ রঙ গাছপালা---স্বপ্নে স্বপ্নে মগ্ন রক্তবাস পরনে,খড়গ,কাঁধে ধনুর্বান
চন্ডাল শিকারের খোঁজে বনের ভেতর
মৃত্যু পাশে রেখে সজাগ রয়েছ?
চোখের পাথর দেখে জেনেছিঃগ্রহনক্ষত্র ছিল একদিন ওই চোখে
তোমার চোখের জ্যোৎস্না পেলে কঠিণ পাথর,
সেও ফেটে যাবে।
অন্ধ করতলে ছুঁয়ে দেখো এ শরীর।
নিরক্ষর বৃষ্টির ভেতর
ছাতা খুলে ধরেছিলাম,আঁচল দিয়ে ঢেকেছিলে,---
নিকষ রাত্রির শব শুয়ে ছিল ঘাটের পৈঠাতে।
পথ হাঁটছি অনন্ত সূর্যকাল থেকে
তোমার স্বাচ্ছন্দ্য দেখি পথের ওপার থেকে।
তোমার চোখের জল ধরে রাখি করপুটে
(আদৌ যে জল তোমার চোখে নেই।)
নেমে এসেছি পথের প্রান্তে।দুপুরের ধারাপাতে ধূসর জীবন।
ভাপ ওঠে চারিদিকে।রৌদ্রাহত নির্মলতা ভেঙে তুমি কি ভেবেছ ভুলে যাবে
গতরাতের প্রণয়,মেরুদূরাতীত আত্মপতনের বীজ,
মাটি খুঁড়ে তুলে আনা স্নেহদাগ?
সকালের আলোয় দেখেছি একরাশ রক্তের কাদায় মাখামাখি
শুয়ে আছ,হাঁটু ভাজ,ভ্রুণের আকৃতি।
সুন্দরের মজ্জাহীন শোকের আতসেগড়া রাত্রিগুলো ওড়াও আকাশে
রাজপথ-ঘর-বারান্দা তখন নামহীন অন্ধকারে ডুবে থাকে আর
তোমার মাথার চুল ভিজে যায়।
শরীরের সব দাগ ভেসে ওঠে,রক্তজবা,___
রুপালী পাতারা ফিরে আসে বাতাসে,উঠোনে ঝরে পড়ে
ঘন শীৎকারে ব্যাকুল।
বিচ্ছেদের হেমন্থলুদ পাতা,রক্তবীজের বংশধরেরা
অসাড় দিনের দিকে কতটুকু স্থির---জানতে চেয়েছ?
সবুজ রঙ গাছপালা---স্বপ্নে স্বপ্নে মগ্ন রক্তবাস পরনে,খড়গ,কাঁধে ধনুর্বান
চন্ডাল শিকারের খোঁজে বনের ভেতর
মৃত্যু পাশে রেখে সজাগ রয়েছ?
চোখের পাথর দেখে জেনেছিঃগ্রহনক্ষত্র ছিল একদিন ওই চোখে
তোমার চোখের জ্যোৎস্না পেলে কঠিণ পাথর,
সেও ফেটে যাবে।
অন্ধ করতলে ছুঁয়ে দেখো এ শরীর।
নিরক্ষর বৃষ্টির ভেতর
ছাতা খুলে ধরেছিলাম,আঁচল দিয়ে ঢেকেছিলে,---
নিকষ রাত্রির শব শুয়ে ছিল ঘাটের পৈঠাতে।
পথ হাঁটছি অনন্ত সূর্যকাল থেকে
তোমার স্বাচ্ছন্দ্য দেখি পথের ওপার থেকে।
তোমার চোখের জল ধরে রাখি করপুটে
(আদৌ যে জল তোমার চোখে নেই।)

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন