Powered By Blogger

শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৪

গ্রহ-নক্ষত্রের ছায়া

নৈসর্গের নিস্তব্ধতা এতো বেশী ভালো লাগে

প্রতিরাতে আমি ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসি
খালপারে জ্যোৎস্নায় ভিজছে, কবি---দূরলক্ষ্যা কাকে ভেবে

অস্পষ্ট দু'হাত খুঁজে পেতে হারানো শরীর
ছুঁড়ে ফেলে দিই,মৃত্যুশোক
ঘরে ফেরে সকলেই,পাখিরা নিঃসঙ্গ পূর্ণিমার দিকে

ঘট,ভেঙে,নীল অধোঃশ্বাসে সমস্ত শরীর গলে ঝরে পড়ে
আমার চোখের পাতা মৃত্যুর প্রতিচ্ছায়ায় কেঁপে ওঠে
গড়ে তুলবার কথা মনে হয় নি--ধূলোশহরে তবু
লিখে রাখব সমস্ত নির্মাণ,বিনির্মাণের ইতিহাস

ভাঙা গ্রামে পড়ে আছি
শুকনো বালির ঝড় উড়তে উড়তে পথ ভুলে আমার উঠোনে এসে থামে
আমার পাঁজর,সাদা হাড় সব একে একে নক্ষত্রের দিকে ছুটে যায়
শুধু একবার নক্ষত্র ও আকাশের কোণ ঘুরে..............
চেয়েছিলাম আকাশ ছুঁতে তারপর মৃত্যু এসে হামলে পড়ুক এই ঠোঁটে

মৃত্যু ধরে আছি হাতে
এতো ধ্বস,বালির উত্থান----নিজেরই অথর্ব শরীর
টেনে আনি রাত্রিবেলা মৃত গাভী,শুকরের স্তুপ থেকে
পরাভূত মৃত্যুশোকে ছেড়ে দাও সব অধিকার

কৈবল্য মানি নি
মাটির প্রবাহ বুকে ছেড়ে এসেছি জলের টান
জল,--কোন ব্যথা শুষে নেয় নি,আমার

শুধু বাণিজ্যের ঢেউ অবিরত প্রস্তুত,প্রতারণার
আমি জল ছেড়ে পালিয়ে এসেছি

তোমার কাজল চোখে গ্রহ-নক্ষত্রের ছায়া,তার কিছু ভাগ নেব

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন