Powered By Blogger

শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৪

মনোহীন বৈকল্যের নিবৃত্তি ও গান

পাপ থেকে পাপের স্খালনে তোমরা কি অবিরত ভেসে যাবে মাতৃসমা জলে

সৈকতের বালুচরে কত বিনিদ্র রাতের কাল কেটে গেছে,সমুদ্রের জলরাশি
চাঁদের টুকরো,ঋণপত্র,সত্যায়িত দলিলের কপিসহ ভাসিয়ে নিয়েছে দূরে

মনোহীন বৈকল্যের নিবৃত্তি ও গান গেয়েছিল অন্ধ বাউল,সুরবিহীন
কেউ শুনেছিল
লেলিহান শিখা,জ্বালানী আঘাতে পোড়ে নির্বিকার শব,চিতার পেছনে ঘাট

ঘট ভরে জল তোলে অর্ধনগ্ন ডোম,হেতালের লাঠি পাশে
ফিরে এসে ভস্মগুলোর প্রতিটি অঙ্গ,প্রতিটি প্রত্যঙ্গ জুড়ে দেয় চিতার আগুনে
আজ চিতা জ্বলছে বাইরে,অন্তরীক্ষে
রাতজাগা কুকুরেরা ভীড় করে চিতা থেকে দূরে

শরীরে সংগতি
চিতায় জুড়াবে হাড়
দুঃখী মা কাঁদছে
খোকা তার শিখা হয়ে আকাশে উড়ছে
ফিরে এসো ভস্মদল,মায়ের শরীর ধরে রাখো

সমুদ্র ফিরিয়ে দেবে নৌকা,জাল,---
এতকাল যা নিয়েছে ঝড়ে,জলোচ্ছ্বাসে
বালির তলা থেকে ভাপ ওঠে
শরীরে সমুদ্রক্ষত,বালি ও কাদায় কংকালের ছাপ,সারি সারি শান্ত গৃহ
'কেউ জান না মাটির নীচে হাড়,খুলি জমে আছে'----
আমি জেনে গেছি

রমণীর অর্ধনগ্ন স্নান আর কলহাস্য,রঙিনসূর্যাস্ত
গিলে খায় চন্দ্রভূক কবি
জল-জলাশয়ে সব কবিতা ভাসিয়ে
নখরাঘাতে খুঁটছে সূর্যোদয়

কবি দাঁড়িয়েছে বৃষ্টির ভেতর,অক্ষরের ক্রমে কবিতা ভাসছে
প্রত্যাশার পচা হাড়-গোড়,--ছুড়ছে তামসী স্রোতে

নদীর ওপার থেকে ঈভ পৃথিবীর পথে ছুটছে,গন্ধম হাতে


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন