মাটির প্রবাহ বুকে,জলের স্বচ্ছতা মুছে একাকার হয়ে আছে ডাঙা ও নদীর তীর।
পেতে রাখা জালে শতাব্দীর শেষ মোহ এসে আটকে থেকেছে,সারারাত।টানি নি সে জাল,
অন্তিম গহ্বরে রক্ত তার মুছে গেছে,ক্ষতের ওপর ব্যভিচারী জলস্রোত,পথ নেই
অবাধ আস্তরণের।স্বপ্নের চেয়েও মিথ্যে এই ভ্রষ্ট সচলতা ঘূর্ণ্যমান সুদর্শনে
ছিঁড়ে যায় কবিতার খাতা,জলরঙে আঁকা ছবি।ভেঙে পড়ে জলস্তম্ভ।ছায়াচ্ছন্ন ঘাট,
মানুষের আকারপ্রকার,নৌকার গলুই,ধ্বসে পড়া দালানের নীচে সূর্যোদয়।
আমাদের লৌকিক নদীর ঘাট ভরে আছে মরুশূণ্যতায়,সীমাহীন প্রশ্নের মীমাংসা
আর সেইসব শব্দে প্রতিটি মুহূর্তে মাছধরা বালকের দল লম্বা ছিপ,ঝুড়ি হাতে
ফিরে আসে।ধানক্ষেতে গোধূলি।জন্মের ভ্রুণ আছে ভেবে ডেকে যাই।শুনেও শুনে না কেউ।
শুধু জলের কল্লোল থেকে উঠে আসে বন অবলুপ্ত এক নারী,জ্বলন্ত শরীর নিয়ে বলে,
'কোথায় কবিত?আমাদের সম্পন্ন উঠোনে মরা মেঘ এসেছিল,বৃষ্টি সে আনে নি তবু
ছাইমাখা আলোতে কবিতা লিখেছিলে।স্পষ্ট মনে পড়ে আমার বুকের সাদা স্তনে।লজ্জা,
খুশী,সৃষ্টির আনন্দে গর্বঢেউ খেলেছিল তোমার কবিত্ব ঘির।এখন চন্দন নেই,---
কবিত্বের আড়ালে আঙুলে ঘষা দিলে উঠে আসে ধূলো ও মলিন মাটি।'
পেতে রাখা জালে শতাব্দীর শেষ মোহ এসে আটকে থেকেছে,সারারাত।টানি নি সে জাল,
অন্তিম গহ্বরে রক্ত তার মুছে গেছে,ক্ষতের ওপর ব্যভিচারী জলস্রোত,পথ নেই
অবাধ আস্তরণের।স্বপ্নের চেয়েও মিথ্যে এই ভ্রষ্ট সচলতা ঘূর্ণ্যমান সুদর্শনে
ছিঁড়ে যায় কবিতার খাতা,জলরঙে আঁকা ছবি।ভেঙে পড়ে জলস্তম্ভ।ছায়াচ্ছন্ন ঘাট,
মানুষের আকারপ্রকার,নৌকার গলুই,ধ্বসে পড়া দালানের নীচে সূর্যোদয়।
আমাদের লৌকিক নদীর ঘাট ভরে আছে মরুশূণ্যতায়,সীমাহীন প্রশ্নের মীমাংসা
আর সেইসব শব্দে প্রতিটি মুহূর্তে মাছধরা বালকের দল লম্বা ছিপ,ঝুড়ি হাতে
ফিরে আসে।ধানক্ষেতে গোধূলি।জন্মের ভ্রুণ আছে ভেবে ডেকে যাই।শুনেও শুনে না কেউ।
শুধু জলের কল্লোল থেকে উঠে আসে বন অবলুপ্ত এক নারী,জ্বলন্ত শরীর নিয়ে বলে,
'কোথায় কবিত?আমাদের সম্পন্ন উঠোনে মরা মেঘ এসেছিল,বৃষ্টি সে আনে নি তবু
ছাইমাখা আলোতে কবিতা লিখেছিলে।স্পষ্ট মনে পড়ে আমার বুকের সাদা স্তনে।লজ্জা,
খুশী,সৃষ্টির আনন্দে গর্বঢেউ খেলেছিল তোমার কবিত্ব ঘির।এখন চন্দন নেই,---
কবিত্বের আড়ালে আঙুলে ঘষা দিলে উঠে আসে ধূলো ও মলিন মাটি।'

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন